চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল তথ্য, ছবি ও ভিডিও প্রকাশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অনুমতি ছাড়া এসব তথ্য প্রচার করা হলে গণমাধ্যমকর্মীসহ সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বন্দরের ইতিহাসে এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে মনে করছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ কড়া বার্তার কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘ক’ শ্রেণির কেপিআই এলাকা হিসেবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধান (আইএসপিএস কোড), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০২২ ও অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩ অনুযায়ী সংরক্ষিত এলাকার তথ্য বা ছবি অনুমতি ছাড়া প্রচার আইনত দণ্ডনীয়।
তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য দেখছেন ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে সম্প্রতি আন্দোলন তুঙ্গে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করে আগামী ১৩ অক্টোবর কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া ভুয়া নথিতে কনটেইনার গায়েব ও অনিয়মের তথ্য ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছিল। সংবেদনশীল এসব খবর ধামাচাপা দিতেই নিরাপত্তা অজুহাতে কণ্ঠরোধের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সবুজ শুভ বলেন, ‘সংবাদকর্মীরা নীতি মেনেই কাজ করেন। জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে মূলধারার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের এই কৌশল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব না করে চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল তথ্য, ছবি ও ভিডিও প্রকাশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অনুমতি ছাড়া এসব তথ্য প্রচার করা হলে গণমাধ্যমকর্মীসহ সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বন্দরের ইতিহাসে এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে মনে করছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ কড়া বার্তার কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘ক’ শ্রেণির কেপিআই এলাকা হিসেবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধান (আইএসপিএস কোড), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০২২ ও অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩ অনুযায়ী সংরক্ষিত এলাকার তথ্য বা ছবি অনুমতি ছাড়া প্রচার আইনত দণ্ডনীয়।
তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য দেখছেন ক্ষুব্ধ সংবাদকর্মীরা। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে সম্প্রতি আন্দোলন তুঙ্গে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করে আগামী ১৩ অক্টোবর কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া ভুয়া নথিতে কনটেইনার গায়েব ও অনিয়মের তথ্য ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছিল। সংবেদনশীল এসব খবর ধামাচাপা দিতেই নিরাপত্তা অজুহাতে কণ্ঠরোধের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সবুজ শুভ বলেন, ‘সংবাদকর্মীরা নীতি মেনেই কাজ করেন। জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে মূলধারার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের এই কৌশল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব না করে চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন