রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাঁশপাতারি গ্রামে খুঁটি আছে, তার আছে, এমনকি মিটারও বসানো হয়েছে; কিন্তু সংযোগ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে গ্রামটির প্রায় ৫০০ পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে বাঁশপাতারি গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি পোঁতা ও তার টানার কাজ শেষ হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়া হয়নি। বিদ্যুতের জন্য রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সেচকাজ ও ছোটখাটো ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ পাশের গ্রামগুলোতে বিদ্যুতের সুবিধা রয়েছে।
বাঁশপাতারি গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের খুঁটি আছে, তার আছে, মিটারও লাগানো আছে, কিন্তু কারেন্ট দেয় না। অফিসে গেলে শুধু আজ-কাল বলে ঘোরায়। আমরা প্রায় পাঁচশত পরিবার অন্ধকারে আছি।’
বিদ্যুৎ-সংযোগ না পাওয়ার বিষয়ে জানতে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সুন্দরগঞ্জ জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভোগান্তির হাত থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত বাঁশপাতারি গ্রামে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাঁশপাতারি গ্রামে খুঁটি আছে, তার আছে, এমনকি মিটারও বসানো হয়েছে; কিন্তু সংযোগ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে গ্রামটির প্রায় ৫০০ পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক বছর আগে বাঁশপাতারি গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি পোঁতা ও তার টানার কাজ শেষ হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়া হয়নি। বিদ্যুতের জন্য রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সেচকাজ ও ছোটখাটো ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ পাশের গ্রামগুলোতে বিদ্যুতের সুবিধা রয়েছে।
বাঁশপাতারি গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের খুঁটি আছে, তার আছে, মিটারও লাগানো আছে, কিন্তু কারেন্ট দেয় না। অফিসে গেলে শুধু আজ-কাল বলে ঘোরায়। আমরা প্রায় পাঁচশত পরিবার অন্ধকারে আছি।’
বিদ্যুৎ-সংযোগ না পাওয়ার বিষয়ে জানতে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সুন্দরগঞ্জ জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভোগান্তির হাত থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত বাঁশপাতারি গ্রামে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন