হেঁ হেঁ হেঁঁ, ক্যামন, খুব তো তখন নাচছিলেন, মোসাদের ডিভাইস আনি হ্যাতাগো ব্যাবাক খবরাখবর ফানির মতুন জাইন্না যামু। যেহানে যা ঘটবো, আন্নে ব্যাবাগ কিছু, আগেই জানি যাইবেন যে।
তো ভালো কথা, তুই কাঁচা মানে “র” খবরাখবর সংগ্রহ করে, দেশের কোথায় কী ঘটছে, সব জেনে বুঝেসুঝে, তারপর দেশের ও দেশবাসীর উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ নিবি সেটাতো খুব ভালো কথা। এই জন্য তুই শুধু মোসাদ ক্যান, দরকার হলে কেজিবি, এফবিআই, সিআইএ, জানিসারিস, হামাস সবের থেকে টেকনোলজি আহ্বান কর। দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়নমুখী যে কোনো কাজে তুই শতভাগ জনগণের সহযোগিতা পাবি।
হেঁ হেঁ হেঁঁ, দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়ন! আরে মিয়া মোসাদের ডিভাইস আনি বিরোধী পার্টির ব্যাবাক খবরাখবর শুনোনের লাই যন্ত্র ব্যাবহার করের! আর আন্নেনি কন, দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়নমুখী যে কোনো কাজে
মানে পাবলিকের শান্তি মারার কাজে এই সব আধুনিক আড়িপাতার মেশিন আনি দেশের উন্নয়নের কাজে লাগাইবো?
আরে না না না, মানুষের ক্ষতি করার জন্য মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস ব্যাবহার করলে তা কখোনোই কোনো ভদ্র শিক্ষিত সামজ মেনে নিবে না। আমেরিকার মতো জায়গায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, নিক্সন আড়ি পাততে যেয়ে “ওয়াটার গেট” কেলেঙ্কারিতে ধরা খেয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলো, আর সেখানে তোর দেশে মোসাদের অত্যাধুনিক আড়িপাতার ডিভাইস ব্যাবহার...
আরে মিয়াভাই খালি ব্যাবহার? হ্যাতারা তো, ব্যাবাগ কথা হুনের, এর পর হ্যেইডারে আবার, ফোনালাপ ফাঁস করি পাবলিকরে সব কথা হুনাই, বিরোধীরে পচাইতেছে।
না না, এসব নোংরা ফাউল কাজ কোনো মানুষের বাচ্চার কাজ না।
মানুষের বাচ্চার কাজ না হোইলে এইগুলা কাগো কাজ! সারা পিরথিবীতে “মাফিয়া”গো ধরনের লাই গোয়েন্দা সংস্থ্যারা এক ব্যাটার গাড়ির ড্যাশ বোর্ডে গোপন, ট্রান্সমিটার লাগাই, প্রায় ছয়মাস হ্যের পিছে ঘুরি ঘুরি তারপর হ্যেতারে কট কোরছে। আর ব্যাটা গোয়েন্দা সংস্থ্যার ক্যাপ্টেন কি রকম বাহবা পাইছে আপনে জানেন? আজকাল সারা বিশ্বে গোয়েন্দা সংস্থ্যার নিত্য নতুন অত্যাধুনিক আড়িপাতার যন্ত্র ব্যাবহার এবং আবিষ্কার পুরাপুরি জায়েজ।
বলিস কী! সারা বিশ্বে শিক্ষিত অশিক্ষিত, জালিম আর মজলুম, জননগণের সরকার সবাই গোয়েন্দা সংস্থ্যার নিত্য নতুন অত্যাধুনিক আড়িপাতার নাজায়েজ যন্ত্র ব্যাবহার এবং আবিষ্কার পুরাপুরি জায়েজ বলে স্বীকার করেছে?
কী বলচেন স্বীকার কোরেছে, ওরা অহন কম্পিউটার দী, হান্দাই হ্যাকিং করি ব্যেবাগ সরকারের গোপন নথিপত্র, পাবলিকের সামনে তুলি ধরের...
ছী ছী ছী তৌবা তৌবা, মানুষের ভালোর জন্য তুই যদি মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস ব্যাবহার করিস তাহোলে পাবলিক তোকে বাহবা দিবে। কিন্তু খালি নিজের গদী রক্ষার জন্য, নিজের স্বৈরাচারি কর্মকান্ড চালানোর জন্য, জনগনের ক্ষতির জন্য জনগনের ট্যাক্সের টাকায় মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস কিনলে তা কখোনোই, মানুষের বাচ্চার কাজ বলে মনে হবেনা।
মানুষের বাচ্চা কন বা দেবদূতের বাচ্চা কন, ব্যেবাগ দুনিয়ায় অহন যে কোনো সরকার তার গদি টিকিইবার লাই মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস কামে লাগার।
লজ্জা লজ্জা, শরম শরম, কুন্ঠা বা হায়া কিংবা মাথাহেঁট, তুই যাই বলিস সুস্থ্য মানসিকতার সরকার কখোনোই জনগনের ক্ষতির জন্য, কেবল নিজের গদি রক্ষার জন্য এসব আড়িপাতার মেশিন ব্যাবহার করবে,না।
বুঝলাম যেই দিন রামে রাজত্ব করবো হেই দিন, মোসাদের অত্যাধুনিক আড়িপাতা ডিভাইস ব্যাবহার বন্ধ হোইবো। কিন্তু আমি কোইকি মজা একটা ঘইট্টা গ্যেছেগা...
এর মাঝে তুই আবার মজা মানে পাবলিকের এন্টারটেইনমেন্টের কী পেলি?
ক্যান আপনে কি ইউটিউব দ্যেখেন না?
ইউটিউবের সাথে এর আবার কি সম্পর্ক?
আরে মিয়া আপনে হুনেন নাই, “এ্যাই শোনো, তুমি কি আমার লগে কক্সবাজার যাইবা? / না বাবা না, আপনার হাত অনেক লম্বা, আমার ভয় লাগে/ যাহ্ দুষ্টু তুমি মিথ্যা ভয় পাও, জাননা আমার হাতে ব্যাথা কাউকে মারি না/...
এসব আবার কি বলছিস, “এ্যাই শোনো, তুমি কি আমার লগে কক্সবাজার যাইবা?
ক্যা বোঝেন না, আরো মজার এন্টারটেইনমেন্ট হুনেন, “এ্যাই শোনো তোমার জমির চায়ের, সৌরভ কিন্তু বীষম কড়া, তাই তোমার জমির চায়ের সৌরভ পানিতে ধুয়া হালকা কোইরা আইনো, নাইলে খাইলে জীবলা আর গলা জ্বলে/ যাহ দুষ্ট্ ুকি যে কও...
আচ্ছা রাখ তোর এই সব ফালতু হেঁয়ালি পুর্ণ সংলাপ, বল তুই কি বলতে চাস...
ক্যা মিয়া বোজেন না, ফোনালাপ ফাঁস। হ্যেতারা যেই মোসাদের আড়িপাতা ডিভাইস আনি পাবলিকের গোপন কথা ফাঁস করতো, অহন অন্য ব্যাটারা ওই মোসাদের আড়িপাতা ডিভাইস দী, হ্যেতাগো ফোনালাপ ইউটিউবে ফাঁস করের...
এম্মা একিরে যেই লংকায় যাচ্ছে সেই রাবণ। এইসব আড়িপাতা ডিভাইস কেবল মানুষের ক্ষতির জন্য ব্যাবহৃত হবে!
আরে রাখেন আপনের নীতিকথা! আমি কোই কী স্বৈরাচার এখন নিজের জালে নিজে বন্দী। আগে যেই মোসাদের ডিভাইস আনি পাবলিকরে হয়রানি করছে, অহন সেইম মেশিন দী, পাবলিকের সামনে হ্যাগোর হয়রানি শুরু হোইছে!
আচ্ছা বলতো বাঙালীর এই পরস্পরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়ি থামবে কবে রে...?
আই তো কোই “কেয়ামত সে কেয়ামত তক চলেগা...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
হেঁ হেঁ হেঁঁ, ক্যামন, খুব তো তখন নাচছিলেন, মোসাদের ডিভাইস আনি হ্যাতাগো ব্যাবাক খবরাখবর ফানির মতুন জাইন্না যামু। যেহানে যা ঘটবো, আন্নে ব্যাবাগ কিছু, আগেই জানি যাইবেন যে।
তো ভালো কথা, তুই কাঁচা মানে “র” খবরাখবর সংগ্রহ করে, দেশের কোথায় কী ঘটছে, সব জেনে বুঝেসুঝে, তারপর দেশের ও দেশবাসীর উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ নিবি সেটাতো খুব ভালো কথা। এই জন্য তুই শুধু মোসাদ ক্যান, দরকার হলে কেজিবি, এফবিআই, সিআইএ, জানিসারিস, হামাস সবের থেকে টেকনোলজি আহ্বান কর। দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়নমুখী যে কোনো কাজে তুই শতভাগ জনগণের সহযোগিতা পাবি।
হেঁ হেঁ হেঁঁ, দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়ন! আরে মিয়া মোসাদের ডিভাইস আনি বিরোধী পার্টির ব্যাবাক খবরাখবর শুনোনের লাই যন্ত্র ব্যাবহার করের! আর আন্নেনি কন, দেশ ও দেশের নাগরিকের জন্য উন্নয়নমুখী যে কোনো কাজে
মানে পাবলিকের শান্তি মারার কাজে এই সব আধুনিক আড়িপাতার মেশিন আনি দেশের উন্নয়নের কাজে লাগাইবো?
আরে না না না, মানুষের ক্ষতি করার জন্য মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস ব্যাবহার করলে তা কখোনোই কোনো ভদ্র শিক্ষিত সামজ মেনে নিবে না। আমেরিকার মতো জায়গায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, নিক্সন আড়ি পাততে যেয়ে “ওয়াটার গেট” কেলেঙ্কারিতে ধরা খেয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলো, আর সেখানে তোর দেশে মোসাদের অত্যাধুনিক আড়িপাতার ডিভাইস ব্যাবহার...
আরে মিয়াভাই খালি ব্যাবহার? হ্যাতারা তো, ব্যাবাগ কথা হুনের, এর পর হ্যেইডারে আবার, ফোনালাপ ফাঁস করি পাবলিকরে সব কথা হুনাই, বিরোধীরে পচাইতেছে।
না না, এসব নোংরা ফাউল কাজ কোনো মানুষের বাচ্চার কাজ না।
মানুষের বাচ্চার কাজ না হোইলে এইগুলা কাগো কাজ! সারা পিরথিবীতে “মাফিয়া”গো ধরনের লাই গোয়েন্দা সংস্থ্যারা এক ব্যাটার গাড়ির ড্যাশ বোর্ডে গোপন, ট্রান্সমিটার লাগাই, প্রায় ছয়মাস হ্যের পিছে ঘুরি ঘুরি তারপর হ্যেতারে কট কোরছে। আর ব্যাটা গোয়েন্দা সংস্থ্যার ক্যাপ্টেন কি রকম বাহবা পাইছে আপনে জানেন? আজকাল সারা বিশ্বে গোয়েন্দা সংস্থ্যার নিত্য নতুন অত্যাধুনিক আড়িপাতার যন্ত্র ব্যাবহার এবং আবিষ্কার পুরাপুরি জায়েজ।
বলিস কী! সারা বিশ্বে শিক্ষিত অশিক্ষিত, জালিম আর মজলুম, জননগণের সরকার সবাই গোয়েন্দা সংস্থ্যার নিত্য নতুন অত্যাধুনিক আড়িপাতার নাজায়েজ যন্ত্র ব্যাবহার এবং আবিষ্কার পুরাপুরি জায়েজ বলে স্বীকার করেছে?
কী বলচেন স্বীকার কোরেছে, ওরা অহন কম্পিউটার দী, হান্দাই হ্যাকিং করি ব্যেবাগ সরকারের গোপন নথিপত্র, পাবলিকের সামনে তুলি ধরের...
ছী ছী ছী তৌবা তৌবা, মানুষের ভালোর জন্য তুই যদি মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস ব্যাবহার করিস তাহোলে পাবলিক তোকে বাহবা দিবে। কিন্তু খালি নিজের গদী রক্ষার জন্য, নিজের স্বৈরাচারি কর্মকান্ড চালানোর জন্য, জনগনের ক্ষতির জন্য জনগনের ট্যাক্সের টাকায় মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস কিনলে তা কখোনোই, মানুষের বাচ্চার কাজ বলে মনে হবেনা।
মানুষের বাচ্চা কন বা দেবদূতের বাচ্চা কন, ব্যেবাগ দুনিয়ায় অহন যে কোনো সরকার তার গদি টিকিইবার লাই মোসাদের অত্যাধুনিক ডিভাইস কামে লাগার।
লজ্জা লজ্জা, শরম শরম, কুন্ঠা বা হায়া কিংবা মাথাহেঁট, তুই যাই বলিস সুস্থ্য মানসিকতার সরকার কখোনোই জনগনের ক্ষতির জন্য, কেবল নিজের গদি রক্ষার জন্য এসব আড়িপাতার মেশিন ব্যাবহার করবে,না।
বুঝলাম যেই দিন রামে রাজত্ব করবো হেই দিন, মোসাদের অত্যাধুনিক আড়িপাতা ডিভাইস ব্যাবহার বন্ধ হোইবো। কিন্তু আমি কোইকি মজা একটা ঘইট্টা গ্যেছেগা...
এর মাঝে তুই আবার মজা মানে পাবলিকের এন্টারটেইনমেন্টের কী পেলি?
ক্যান আপনে কি ইউটিউব দ্যেখেন না?
ইউটিউবের সাথে এর আবার কি সম্পর্ক?
আরে মিয়া আপনে হুনেন নাই, “এ্যাই শোনো, তুমি কি আমার লগে কক্সবাজার যাইবা? / না বাবা না, আপনার হাত অনেক লম্বা, আমার ভয় লাগে/ যাহ্ দুষ্টু তুমি মিথ্যা ভয় পাও, জাননা আমার হাতে ব্যাথা কাউকে মারি না/...
এসব আবার কি বলছিস, “এ্যাই শোনো, তুমি কি আমার লগে কক্সবাজার যাইবা?
ক্যা বোঝেন না, আরো মজার এন্টারটেইনমেন্ট হুনেন, “এ্যাই শোনো তোমার জমির চায়ের, সৌরভ কিন্তু বীষম কড়া, তাই তোমার জমির চায়ের সৌরভ পানিতে ধুয়া হালকা কোইরা আইনো, নাইলে খাইলে জীবলা আর গলা জ্বলে/ যাহ দুষ্ট্ ুকি যে কও...
আচ্ছা রাখ তোর এই সব ফালতু হেঁয়ালি পুর্ণ সংলাপ, বল তুই কি বলতে চাস...
ক্যা মিয়া বোজেন না, ফোনালাপ ফাঁস। হ্যেতারা যেই মোসাদের আড়িপাতা ডিভাইস আনি পাবলিকের গোপন কথা ফাঁস করতো, অহন অন্য ব্যাটারা ওই মোসাদের আড়িপাতা ডিভাইস দী, হ্যেতাগো ফোনালাপ ইউটিউবে ফাঁস করের...
এম্মা একিরে যেই লংকায় যাচ্ছে সেই রাবণ। এইসব আড়িপাতা ডিভাইস কেবল মানুষের ক্ষতির জন্য ব্যাবহৃত হবে!
আরে রাখেন আপনের নীতিকথা! আমি কোই কী স্বৈরাচার এখন নিজের জালে নিজে বন্দী। আগে যেই মোসাদের ডিভাইস আনি পাবলিকরে হয়রানি করছে, অহন সেইম মেশিন দী, পাবলিকের সামনে হ্যাগোর হয়রানি শুরু হোইছে!
আচ্ছা বলতো বাঙালীর এই পরস্পরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়ি থামবে কবে রে...?
আই তো কোই “কেয়ামত সে কেয়ামত তক চলেগা...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

আপনার মতামত লিখুন