দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে গিয়েছিলেন গত আগস্টে। পিআরএলে গমনের মাত্র এক মাস ৯ দিনের মাথায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আদর্শ ও বিনয়ী শিক্ষক ভুবন চন্দ্র ভৌমিক (৬০)। তিনি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার দক্ষিণ দেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত ভুবন চন্দ্র ভৌমিক পলাশ উপজেলার পণ্ডিতপাড়া গ্রামের প্রয়াত অমৃত লাল ভৌমিকের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জ্বরে আক্রান্ত হন ভুবন চন্দ্র ভৌমিক। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে রবিবার তাকে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং রক্তে প্লাটিলেট কমতে থাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে পথেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
ভুবন চন্দ্র ভৌমিকের অকালমৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পলাশের শিক্ষক সমাজ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় শিক্ষককে একনজর দেখতে তার পণ্ডিতপাড়ার বাড়িতে শত শত সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা ভিড় জমান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রীও পেশায় একজন শিক্ষক।
পলাশ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই বিনয়ী প্রধান শিক্ষকের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসরে গিয়েছিলেন গত আগস্টে। পিআরএলে গমনের মাত্র এক মাস ৯ দিনের মাথায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আদর্শ ও বিনয়ী শিক্ষক ভুবন চন্দ্র ভৌমিক (৬০)। তিনি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার দক্ষিণ দেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত ভুবন চন্দ্র ভৌমিক পলাশ উপজেলার পণ্ডিতপাড়া গ্রামের প্রয়াত অমৃত লাল ভৌমিকের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জ্বরে আক্রান্ত হন ভুবন চন্দ্র ভৌমিক। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে রবিবার তাকে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং রক্তে প্লাটিলেট কমতে থাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে পথেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
ভুবন চন্দ্র ভৌমিকের অকালমৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পলাশের শিক্ষক সমাজ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় শিক্ষককে একনজর দেখতে তার পণ্ডিতপাড়ার বাড়িতে শত শত সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা ভিড় জমান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রীও পেশায় একজন শিক্ষক।
পলাশ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই বিনয়ী প্রধান শিক্ষকের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন