কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স (সিন্দুক) থেকে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখড়াবাড়ির মাজারের ভেতরে ও বারান্দায় থাকা দুটি সিন্দুক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে এ টাকা সংগ্রহ করা হয়।
কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার জানান, সাধারণত বছরে দুইবার লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমবার অক্টোবর মাসে এবং দ্বিতীয়বার লালন শাহের তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণোৎসবের পর দানবাক্স খোলা হয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার দানবাক্সে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি টাকা পাওয়া গেছে। টাকা গণনা শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা বুঝে নেওয়া হয়েছে। রোববার এসব টাকা লালন অ্যাকাডেমির ব্যাংক তহবিলে জমা দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এখন থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতেই এসব দানবাক্স খোলা হবে বলেও তিনি জানান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খুলে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। পরবর্তীতে লালন স্মরণোৎসবের পর সিন্দুক খুলে পাওয়া যায় আরও ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা।
শনিবার দানবাক্স খোলার সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও লালন স্মরণোৎসবের অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রিফাত, কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও লালন অ্যাকাডেমির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স (সিন্দুক) থেকে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখড়াবাড়ির মাজারের ভেতরে ও বারান্দায় থাকা দুটি সিন্দুক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে এ টাকা সংগ্রহ করা হয়।
কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার জানান, সাধারণত বছরে দুইবার লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমবার অক্টোবর মাসে এবং দ্বিতীয়বার লালন শাহের তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণোৎসবের পর দানবাক্স খোলা হয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার দানবাক্সে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি টাকা পাওয়া গেছে। টাকা গণনা শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা বুঝে নেওয়া হয়েছে। রোববার এসব টাকা লালন অ্যাকাডেমির ব্যাংক তহবিলে জমা দেওয়া হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এখন থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতেই এসব দানবাক্স খোলা হবে বলেও তিনি জানান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খুলে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। পরবর্তীতে লালন স্মরণোৎসবের পর সিন্দুক খুলে পাওয়া যায় আরও ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা।
শনিবার দানবাক্স খোলার সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও লালন স্মরণোৎসবের অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রিফাত, কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও লালন অ্যাকাডেমির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন