রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে নিরাপত্তার কারণে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থান সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এর আগে দুটি স্থানীয় পাহাড়ি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধের কারণে পর্যটকেরা ভোগান্তিতে পড়েন।
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র তৎপরতা ও চাঁদাবাজির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এসব অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে তারা সড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেয়। জেএসএস অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেছে, ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি এই কর্মসূচি দিয়েছে। ইউপিডিএফও চাপ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পাহাড়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের বিরোধ ও সশস্ত্র তৎপরতার প্রভাবে স্থানীয় মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পর্যটনশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাজেকের পর্যটনশিল্পের সঙ্গে স্থানীয় অনেক মানুষের আয়-রোজগার জড়িত। দীর্ঘ সময় পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলে হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ, পরিবহন ও অন্যান্য ছোট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।
সাজেকে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে উল্লিখিত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। সেখানে কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর সশস্ত্র তৎপরতা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই জনজীবনের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করা চলে না। পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কথাও শোনা দরকার। পাহাড়ে বিরোধ নিরসনে কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া দরকার। পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা টেকসই সমাধান নয়। টেকসই সমাধানের জন্য পাহাড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে নিরাপত্তার কারণে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থান সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এর আগে দুটি স্থানীয় পাহাড়ি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধের কারণে পর্যটকেরা ভোগান্তিতে পড়েন।
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র তৎপরতা ও চাঁদাবাজির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এসব অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে তারা সড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেয়। জেএসএস অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেছে, ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি এই কর্মসূচি দিয়েছে। ইউপিডিএফও চাপ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পাহাড়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের বিরোধ ও সশস্ত্র তৎপরতার প্রভাবে স্থানীয় মানুষের জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পর্যটনশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাজেকের পর্যটনশিল্পের সঙ্গে স্থানীয় অনেক মানুষের আয়-রোজগার জড়িত। দীর্ঘ সময় পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলে হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ, পরিবহন ও অন্যান্য ছোট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।
সাজেকে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনকে উল্লিখিত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। সেখানে কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর সশস্ত্র তৎপরতা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই জনজীবনের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করা চলে না। পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কথাও শোনা দরকার। পাহাড়ে বিরোধ নিরসনে কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া দরকার। পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা টেকসই সমাধান নয়। টেকসই সমাধানের জন্য পাহাড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন