সংবাদ

সাঘাটায় বিষপানে স্কুলছাত্র ও গৃহবধূর মৃত্যু


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম

সাঘাটায় বিষপানে স্কুলছাত্র ও গৃহবধূর মৃত্যু
ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সাঘাটায় পরকীয়া সম্পর্ক পরিবার মেনে না নেওয়ায় বিষপানে এক স্কুলছাত্র ও এক সন্তানের জননী এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে আল আমিন মিয়া (১৫) নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আল আমিন পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজাদুল ইসলামের ছেলে ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অপর নিহত তাসলিমা আক্তার (২৫) দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও পার্শ্ববর্তী পদুমশহর জোরডোবা গ্রামের ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে কিশোর আল আমিনের সঙ্গে এক সন্তানের জননী তাসলিমার পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একপর্যায়ে রোববার (১১ অক্টোবর) বিয়ের দাবিতে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন তাসলিমা। তবে বয়সের ব্যবধান ও সামাজিকভাবে বিষয়টি গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় দুই পরিবারই এই সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

স্বজনদের অমতে কোনো উপায় না পেয়ে সোমবার (১২ অক্টোবর) জমিতে ব্যবহারের জন্য রাখা কীটনাশক (গ্যাস ট্যাবলেট) সেবন করেন দুজনই। পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর আল আমিনের স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। অন্যদিকে তাসলিমার মরদেহ হাসপাতালেই রাখা হয়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, খবর পেয়ে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টির ময়নাতদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


সাঘাটায় বিষপানে স্কুলছাত্র ও গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সাঘাটায় পরকীয়া সম্পর্ক পরিবার মেনে না নেওয়ায় বিষপানে এক স্কুলছাত্র ও এক সন্তানের জননী এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে আল আমিন মিয়া (১৫) নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আল আমিন পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজাদুল ইসলামের ছেলে ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অপর নিহত তাসলিমা আক্তার (২৫) দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও পার্শ্ববর্তী পদুমশহর জোরডোবা গ্রামের ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে কিশোর আল আমিনের সঙ্গে এক সন্তানের জননী তাসলিমার পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একপর্যায়ে রোববার (১১ অক্টোবর) বিয়ের দাবিতে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন তাসলিমা। তবে বয়সের ব্যবধান ও সামাজিকভাবে বিষয়টি গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় দুই পরিবারই এই সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

স্বজনদের অমতে কোনো উপায় না পেয়ে সোমবার (১২ অক্টোবর) জমিতে ব্যবহারের জন্য রাখা কীটনাশক (গ্যাস ট্যাবলেট) সেবন করেন দুজনই। পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর আল আমিনের স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। অন্যদিকে তাসলিমার মরদেহ হাসপাতালেই রাখা হয়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পূর্ব রাঘবপুর গ্রাম থেকে আল আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, খবর পেয়ে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টির ময়নাতদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত