ছোট
ছোট রোবট হাঁসের
সঙ্গে খুনসুটি করছেন
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান
নির্বাহী জেনসেন হুয়াং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে
পড়া এমন একটি
ভিডিও ঘিরেই ব্যাপক
আগ্রহ তৈরি হয়েছে
‘মাইক্রোডাক’ নামের রোবট
খেলনাগুলোকে নিয়ে। এরই মধ্যে
এগুলোর প্রি-অর্ডার
২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
প্রযুক্তি সাময়িকী টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্লিনে এনভিডিয়ার জিটিসি
সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেওয়ার
সময় মাইক্রোডাক রোবটগুলোর সঙ্গে
সময় কাটাতে দেখা
যায় হুয়াংকে। হাঁসের
মতো দেখতে ছোট
রোবটগুলো নির্দেশ পেলে
বসে পড়ে, ঘুমের
ভান করে, এমনকি
ডিগবাজিও দিতে পারে।
তাদের এমন মজার
আচরণ দর্শকদের নজর
কাড়ে।
ভিডিও ছড়াতেই বাড়ল চাহিদা
রোবট
হাঁসগুলোর সঙ্গে হুয়াংয়ের খুনসুটির ভিডিও
ছড়িয়ে পড়ার পরপরই
বাড়তে থাকে ক্রেতাদের আগ্রহ।
পরদিন হাগিং ফেসের
প্রধান নির্বাহী ক্লেম
দেলাঙ্গে জানান, মাইক্রোডাকের প্রি-অর্ডারের সংখ্যা
২০ হাজার ছাড়িয়ে
গেছে।
ধারণা
করা হচ্ছে, বড়দিনের আগেই
ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে
দেওয়া হবে রোবটগুলো। সে
ক্ষেত্রে আসন্ন ছুটির
মৌসুমে জনপ্রিয় খেলনা
হয়ে উঠতে পারে
মাইক্রোডাক। দেলাঙ্গের ধারণা,
বছর শেষে সবচেয়ে
বেশি বিক্রি হওয়া
রোবটের তালিকাতেও জায়গা
করে নিতে পারে
এটি।
শুধু
শিশুদের জন্যই যে
এই খেলনা, তা
নয়। প্রচারণামূলক ভিডিওতে বড়দেরও
মাইক্রোডাক নিয়ে খেলতে
দেখা গেছে।
ওপেন সোর্স প্রযুক্তিতে তৈরি রোবট হাঁস
মাইক্রোডাক তৈরি
করেছে পোলেন রোবোটিকস। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫
সালে হাগিং ফেসের
অধীনে আসে। হাগিং
ফেসকে এনভিডিয়া কিনে
নেয় ২০২৬ সালের
সেপ্টেম্বরে। ফলে মাইক্রোডাকের সঙ্গে
এনভিডিয়ার প্রযুক্তিগত সংযোগ
তৈরি হয়েছে। এর
আগে হাগিং ফেস
‘রিচি মিনি’ নামে
আরেকটি ছোট রোবট
তৈরি করেছিল।
মাইক্রোডাকের অন্যতম
বৈশিষ্ট্য হলো, এটি
ওপেন সোর্স রোবট।
অর্থাৎ
এর প্রযুক্তি ও
সফটওয়্যার নিয়ে কাজ
করার সুযোগ রয়েছে।
এনভিডিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে
ভার্চুয়াল পরিবেশে রোবটগুলোকে হাঁটা,
বসা ও দাঁড়ানোর মতো
কাজ শেখানো হয়েছে।
এতে শুধু আগে থেকে নির্ধারিত কিছু কাজ দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে না ক্রেতাদের। চাইলে তাঁরা রোবটগুলোকে নতুন কৌশলও শেখাতে পারবেন। ফলে খেলনা হিসেবে বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি রোবোটিকস ও প্রোগ্রামিং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগও তৈরি করছে মাইক্রোডাক।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ছোট
ছোট রোবট হাঁসের
সঙ্গে খুনসুটি করছেন
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান
নির্বাহী জেনসেন হুয়াং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে
পড়া এমন একটি
ভিডিও ঘিরেই ব্যাপক
আগ্রহ তৈরি হয়েছে
‘মাইক্রোডাক’ নামের রোবট
খেলনাগুলোকে নিয়ে। এরই মধ্যে
এগুলোর প্রি-অর্ডার
২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
প্রযুক্তি সাময়িকী টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্লিনে এনভিডিয়ার জিটিসি
সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেওয়ার
সময় মাইক্রোডাক রোবটগুলোর সঙ্গে
সময় কাটাতে দেখা
যায় হুয়াংকে। হাঁসের
মতো দেখতে ছোট
রোবটগুলো নির্দেশ পেলে
বসে পড়ে, ঘুমের
ভান করে, এমনকি
ডিগবাজিও দিতে পারে।
তাদের এমন মজার
আচরণ দর্শকদের নজর
কাড়ে।
ভিডিও ছড়াতেই বাড়ল চাহিদা
রোবট
হাঁসগুলোর সঙ্গে হুয়াংয়ের খুনসুটির ভিডিও
ছড়িয়ে পড়ার পরপরই
বাড়তে থাকে ক্রেতাদের আগ্রহ।
পরদিন হাগিং ফেসের
প্রধান নির্বাহী ক্লেম
দেলাঙ্গে জানান, মাইক্রোডাকের প্রি-অর্ডারের সংখ্যা
২০ হাজার ছাড়িয়ে
গেছে।
ধারণা
করা হচ্ছে, বড়দিনের আগেই
ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে
দেওয়া হবে রোবটগুলো। সে
ক্ষেত্রে আসন্ন ছুটির
মৌসুমে জনপ্রিয় খেলনা
হয়ে উঠতে পারে
মাইক্রোডাক। দেলাঙ্গের ধারণা,
বছর শেষে সবচেয়ে
বেশি বিক্রি হওয়া
রোবটের তালিকাতেও জায়গা
করে নিতে পারে
এটি।
শুধু
শিশুদের জন্যই যে
এই খেলনা, তা
নয়। প্রচারণামূলক ভিডিওতে বড়দেরও
মাইক্রোডাক নিয়ে খেলতে
দেখা গেছে।
ওপেন সোর্স প্রযুক্তিতে তৈরি রোবট হাঁস
মাইক্রোডাক তৈরি
করেছে পোলেন রোবোটিকস। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫
সালে হাগিং ফেসের
অধীনে আসে। হাগিং
ফেসকে এনভিডিয়া কিনে
নেয় ২০২৬ সালের
সেপ্টেম্বরে। ফলে মাইক্রোডাকের সঙ্গে
এনভিডিয়ার প্রযুক্তিগত সংযোগ
তৈরি হয়েছে। এর
আগে হাগিং ফেস
‘রিচি মিনি’ নামে
আরেকটি ছোট রোবট
তৈরি করেছিল।
মাইক্রোডাকের অন্যতম
বৈশিষ্ট্য হলো, এটি
ওপেন সোর্স রোবট।
অর্থাৎ
এর প্রযুক্তি ও
সফটওয়্যার নিয়ে কাজ
করার সুযোগ রয়েছে।
এনভিডিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে
ভার্চুয়াল পরিবেশে রোবটগুলোকে হাঁটা,
বসা ও দাঁড়ানোর মতো
কাজ শেখানো হয়েছে।
এতে শুধু আগে থেকে নির্ধারিত কিছু কাজ দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে না ক্রেতাদের। চাইলে তাঁরা রোবটগুলোকে নতুন কৌশলও শেখাতে পারবেন। ফলে খেলনা হিসেবে বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি রোবোটিকস ও প্রোগ্রামিং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগও তৈরি করছে মাইক্রোডাক।

আপনার মতামত লিখুন