রংপুরের মিঠাপুকুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ড্রাম ট্রাকে দ্রুতগামী নাইট কোচের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ মাজার মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর নাইট কোচটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘খান এক্সপ্রেস’ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-১৯২৫) নামের নাইট কোচটি বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় মহাসড়কের পাশে ৪০ টন মালবাহী একটি ড্রাম ট্রাক দাঁড়িয়েছিল। দ্রুতগতির নাইট কোচটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, মিঠাপুকুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তারা বাসটির ভেতর থেকে আহত অবস্থায় ২৫ জনকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজন মারা যান।
আহত যাত্রীদের অভিযোগ, বাসচালক গাড়ি চালানোর সময় তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন এবং সিগারেট খেতে খেতে অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছিলেন। মূলত চালকের চরম গাফিলতি ও ঘুমন্ত ভাবের কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হতাহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ড্রাম ট্রাকে দ্রুতগামী নাইট কোচের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ মাজার মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর নাইট কোচটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘খান এক্সপ্রেস’ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-১৯২৫) নামের নাইট কোচটি বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় মহাসড়কের পাশে ৪০ টন মালবাহী একটি ড্রাম ট্রাক দাঁড়িয়েছিল। দ্রুতগতির নাইট কোচটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, মিঠাপুকুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তারা বাসটির ভেতর থেকে আহত অবস্থায় ২৫ জনকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজন মারা যান।
আহত যাত্রীদের অভিযোগ, বাসচালক গাড়ি চালানোর সময় তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন এবং সিগারেট খেতে খেতে অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছিলেন। মূলত চালকের চরম গাফিলতি ও ঘুমন্ত ভাবের কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হতাহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন