ব্রাজিলের সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর দেশটির ডানপন্থী প্রার্থী ও সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। দুর্নীতির ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা ফ্লাভিও আদালতের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা ও পাসপোর্ট বাতিলের নির্দেশকে উপেক্ষা করে গোপনে দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।
রবিবারে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার রানঅফ ভোটে বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হন জাইর বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে লুলা ৫৩ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়ে জয়ী হলেও ফল মেনে নেননি ফ্লাভিও। পরাজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সংসদীয় দায়মুক্তি হারাতে চলেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ৪৫ বছর বয়সী ফ্লাভিও ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে গেছেন। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কোন এলাকায় অবস্থান করছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে ব্রাজিলের পুলিশ জানিয়েছে, ফ্লাভিওর ব্রাজিলীয় ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছাড়ার কোনো অভিবাসন রেকর্ড বা নথি তাদের কাছে নেই।
ফ্লাভিওর দেশত্যাগের এই ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি গোপনে নিজের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়, তার নিশ্চয়ই লুকানোর কিছু আছে।”
এর আগে সোমবার এক ভিডিও বার্তায় ফ্লাভিও দাবি করেছিলেন, দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা বা পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ হলো তাকে ভয় দেখানোর একটি কৌশলমাত্র। তবে তার এই আকস্মিক প্রস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে পাড়ি জমানোর খবর ব্রাজিলের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাজিলের সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর দেশটির ডানপন্থী প্রার্থী ও সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। দুর্নীতির ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা ফ্লাভিও আদালতের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা ও পাসপোর্ট বাতিলের নির্দেশকে উপেক্ষা করে গোপনে দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।
রবিবারে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার রানঅফ ভোটে বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হন জাইর বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে লুলা ৫৩ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়ে জয়ী হলেও ফল মেনে নেননি ফ্লাভিও। পরাজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সংসদীয় দায়মুক্তি হারাতে চলেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ৪৫ বছর বয়সী ফ্লাভিও ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে গেছেন। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কোন এলাকায় অবস্থান করছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে ব্রাজিলের পুলিশ জানিয়েছে, ফ্লাভিওর ব্রাজিলীয় ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছাড়ার কোনো অভিবাসন রেকর্ড বা নথি তাদের কাছে নেই।
ফ্লাভিওর দেশত্যাগের এই ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি গোপনে নিজের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়, তার নিশ্চয়ই লুকানোর কিছু আছে।”
এর আগে সোমবার এক ভিডিও বার্তায় ফ্লাভিও দাবি করেছিলেন, দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা বা পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ হলো তাকে ভয় দেখানোর একটি কৌশলমাত্র। তবে তার এই আকস্মিক প্রস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে পাড়ি জমানোর খবর ব্রাজিলের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন