কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত যশোরের মণিরামপুরের একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার ১১ দিন পর মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত নাহিদুর রহমান তুহিনের ভাই জাহিদুর রহমান পিন্স।
নিহতরা হলেন- মণিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তার স্ত্রী আফসানা তানজি (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাহিদুর রহমান তুহিন ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত গ্রান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন।
গত ১৫ অক্টোবর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তুহিন। পরদিন ১৬ অক্টোবর তারা ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন। ১৮ অক্টোবর তাদের রিসোর্ট ছেড়ে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু ১৬ অক্টোবর গভীর রাতে রিসোর্টটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে পরিবারের চার সদস্যের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন স্বজনরা তাদের খোঁজ শুরু করেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন তুহিনের ভাই জাহিদুর রহমান পিন্স। পরদিন রোববার দিনভর খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যায় রিসোর্টের একটি টয়লেট থেকে জড়াজড়ি অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো তার ভাই, ভাবি ও দুই ভাতিজির বলে শনাক্ত করেন জাহিদুর রহমান পিন্স।
তবে আগুনে মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এ জন্য জাহিদুর রহমানের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার মর্গে রাখা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই পরিবারের চার সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত যশোরের মণিরামপুরের একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার ১১ দিন পর মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত নাহিদুর রহমান তুহিনের ভাই জাহিদুর রহমান পিন্স।
নিহতরা হলেন- মণিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তার স্ত্রী আফসানা তানজি (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাহিদুর রহমান তুহিন ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত গ্রান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন।
গত ১৫ অক্টোবর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তুহিন। পরদিন ১৬ অক্টোবর তারা ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন। ১৮ অক্টোবর তাদের রিসোর্ট ছেড়ে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু ১৬ অক্টোবর গভীর রাতে রিসোর্টটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে পরিবারের চার সদস্যের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন স্বজনরা তাদের খোঁজ শুরু করেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন তুহিনের ভাই জাহিদুর রহমান পিন্স। পরদিন রোববার দিনভর খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যায় রিসোর্টের একটি টয়লেট থেকে জড়াজড়ি অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো তার ভাই, ভাবি ও দুই ভাতিজির বলে শনাক্ত করেন জাহিদুর রহমান পিন্স।
তবে আগুনে মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এ জন্য জাহিদুর রহমানের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার মর্গে রাখা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই পরিবারের চার সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন