মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের বাছাইপ্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন ৫৫ জন। তাদের মধ্য থেকে ১৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই, বাছাইয়ের মানদণ্ড ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
আবেদনকারীদের তালিকা কার কাছে রয়েছে, তা নিয়েও উপজেলা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পৃতীশ চন্দ্র পাল বলেন, উপজেলা সার ডিলার বাছাই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদস্যসচিব তিনি নিজে। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা জেলায় পাঠানো হয়েছে।
তবে ৫৫ জন আবেদনকারীর মধ্যে কাদের, কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ে কী কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা তদন্ত কমিটির সদস্য ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নিগার সুলতানা বলেন, তদন্তে যাওয়ার পর আবেদনকারীরা তাদের গোডাউন দেখিয়েছেন। তদন্তে যা পাওয়া গেছে, সে অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের তালিকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে থাকার কথা বলেও জানান তিনি।
তদন্ত কমিটির আরেক সদস্য উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মিজানুর আহসান চৌধুরী বলেন, তদন্তে গিয়ে কিছু স্থাপনার অনুপযোগিতার চিত্র দেখা গেছে। একটি গরুর খামারে পরিত্যক্ত হাউজ ও নালা দেখা যায়। অন্য একটি স্থানে আড়িয়ল মার্কেটের পেছনে জঙ্গলঘেরা পরিত্যক্ত জায়গায় কাঠের ঘর তৈরি করে রাখা হয়েছিল। যেসব স্থাপনা অনুপযোগী মনে হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ইউএনওকে জানানো হয়েছে।
তবে এসব স্থাপনা কোন কোন আবেদনকারীর এবং তদন্তের ফলাফল নিয়োগের সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলেছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি।
তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পৃতীশ চন্দ্র পাল বলেন, তিনি উপজেলা তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তদন্ত করেছেন এবং কমিটির প্রতিবেদন জেলায় জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের তালিকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, তার কাছে ওই তালিকা নেই।
অন্যদিকে, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আবেদনকারীদের তালিকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে রয়েছে। নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই তালিকা কার কাছে রয়েছে, তা নিয়ে দুই কর্মকর্তার এমন ভিন্ন বক্তব্যের কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যশলং ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া মেসার্স সায়মা এন্টারপ্রাইজের মালিক আশরাফ হোসেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বলে দাবি করে বিএনপির একটি পক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এটা নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ জানিয়েছেন।
এ ছাড়া নিয়োগ পাওয়া কয়েকজনের সার ব্যবসা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই বলেও স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া ডিলাররা হলেন, বেতকা ইউনিয়নে মেসার্স সেলিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. শামীম ঢালী, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে মেসার্স হাওলাদার এগ্রো বিজনেসের মালিক কোতোয়াল জাহিদ হক, সোনারং-টঙ্গীবাড়ী ইউনিয়নে মেসার্স হুমায়রা ট্রেডার্সের মালিক মো. মারুফ ইসলাম, আউটশাহী ইউনিয়নে মেসার্স এস আর ট্রেডার্সের মালিক পাপিয়া আক্তার, আড়িয়ল ইউনিয়নে মেসার্স সায়ান এন্টারপ্রাইজের মালিক তোহার হোসেন, বালিগাঁও ইউনিয়নে মেসার্স মুন্সী এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. রকিবুল ইসলাম এবং ধীপুর ইউনিয়নে মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের মালিক রিয়াদ মোল্লা।
এ ছাড়া কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নে মেসার্স রাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মতিউর রহমান শিকদার, যশলং ইউনিয়নে মেসার্স সায়মা এন্টারপ্রাইজের মালিক আশরাফ হোসেন, কামারখাড়া ইউনিয়নে মেসার্স ইসমাইল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ইসমাইল, পাঁচগাঁও ইউনিয়নে মেসার্স নাফিজা এন্টারপ্রাইজের মালিক কাইয়ুম কবির, হাসাইল-বানারী ইউনিয়নে মেসার্স এস কে করপোরেশনের মালিক আলী আকবর এবং দিঘিরপাড় ইউনিয়নে মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের মালিক সোহেল মোল্লা নিয়োগ পেয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আনজুম সোহানিয়া বলেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটির দেওয়া তথ্য জেলায় পাঠানো হয়েছে। কেউ তথ্য গোপন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফির সাথে টেলিফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানিয়েছেন, যদি সঠিক তথ্য প্রকাশ করা হয় তাহলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। অনেক অসাধু সার ডিলার ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার মুখ উন্মোচন হয়ে পড়বে।
সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আবেদনকারীদের তালিকা, যোগ্যতা যাচাইয়ের মানদণ্ড, তদন্ত প্রতিবেদন এবং নির্বাচিত ব্যক্তিদের যোগ্যতার তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সহজ হবে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের বাছাইপ্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন ৫৫ জন। তাদের মধ্য থেকে ১৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই, বাছাইয়ের মানদণ্ড ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
আবেদনকারীদের তালিকা কার কাছে রয়েছে, তা নিয়েও উপজেলা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পৃতীশ চন্দ্র পাল বলেন, উপজেলা সার ডিলার বাছাই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদস্যসচিব তিনি নিজে। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা জেলায় পাঠানো হয়েছে।
তবে ৫৫ জন আবেদনকারীর মধ্যে কাদের, কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ে কী কী মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা তদন্ত কমিটির সদস্য ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নিগার সুলতানা বলেন, তদন্তে যাওয়ার পর আবেদনকারীরা তাদের গোডাউন দেখিয়েছেন। তদন্তে যা পাওয়া গেছে, সে অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের তালিকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে থাকার কথা বলেও জানান তিনি।
তদন্ত কমিটির আরেক সদস্য উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মিজানুর আহসান চৌধুরী বলেন, তদন্তে গিয়ে কিছু স্থাপনার অনুপযোগিতার চিত্র দেখা গেছে। একটি গরুর খামারে পরিত্যক্ত হাউজ ও নালা দেখা যায়। অন্য একটি স্থানে আড়িয়ল মার্কেটের পেছনে জঙ্গলঘেরা পরিত্যক্ত জায়গায় কাঠের ঘর তৈরি করে রাখা হয়েছিল। যেসব স্থাপনা অনুপযোগী মনে হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে ইউএনওকে জানানো হয়েছে।
তবে এসব স্থাপনা কোন কোন আবেদনকারীর এবং তদন্তের ফলাফল নিয়োগের সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলেছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি।
তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পৃতীশ চন্দ্র পাল বলেন, তিনি উপজেলা তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তদন্ত করেছেন এবং কমিটির প্রতিবেদন জেলায় জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের তালিকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, তার কাছে ওই তালিকা নেই।
অন্যদিকে, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আবেদনকারীদের তালিকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে রয়েছে। নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই তালিকা কার কাছে রয়েছে, তা নিয়ে দুই কর্মকর্তার এমন ভিন্ন বক্তব্যের কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
যশলং ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া মেসার্স সায়মা এন্টারপ্রাইজের মালিক আশরাফ হোসেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বলে দাবি করে বিএনপির একটি পক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এটা নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ জানিয়েছেন।
এ ছাড়া নিয়োগ পাওয়া কয়েকজনের সার ব্যবসা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই বলেও স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া ডিলাররা হলেন, বেতকা ইউনিয়নে মেসার্স সেলিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. শামীম ঢালী, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে মেসার্স হাওলাদার এগ্রো বিজনেসের মালিক কোতোয়াল জাহিদ হক, সোনারং-টঙ্গীবাড়ী ইউনিয়নে মেসার্স হুমায়রা ট্রেডার্সের মালিক মো. মারুফ ইসলাম, আউটশাহী ইউনিয়নে মেসার্স এস আর ট্রেডার্সের মালিক পাপিয়া আক্তার, আড়িয়ল ইউনিয়নে মেসার্স সায়ান এন্টারপ্রাইজের মালিক তোহার হোসেন, বালিগাঁও ইউনিয়নে মেসার্স মুন্সী এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. রকিবুল ইসলাম এবং ধীপুর ইউনিয়নে মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের মালিক রিয়াদ মোল্লা।
এ ছাড়া কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়নে মেসার্স রাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মতিউর রহমান শিকদার, যশলং ইউনিয়নে মেসার্স সায়মা এন্টারপ্রাইজের মালিক আশরাফ হোসেন, কামারখাড়া ইউনিয়নে মেসার্স ইসমাইল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ইসমাইল, পাঁচগাঁও ইউনিয়নে মেসার্স নাফিজা এন্টারপ্রাইজের মালিক কাইয়ুম কবির, হাসাইল-বানারী ইউনিয়নে মেসার্স এস কে করপোরেশনের মালিক আলী আকবর এবং দিঘিরপাড় ইউনিয়নে মেসার্স মোল্লা ট্রেডার্সের মালিক সোহেল মোল্লা নিয়োগ পেয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আনজুম সোহানিয়া বলেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটির দেওয়া তথ্য জেলায় পাঠানো হয়েছে। কেউ তথ্য গোপন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফির সাথে টেলিফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই জানিয়েছেন, যদি সঠিক তথ্য প্রকাশ করা হয় তাহলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। অনেক অসাধু সার ডিলার ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার মুখ উন্মোচন হয়ে পড়বে।
সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আবেদনকারীদের তালিকা, যোগ্যতা যাচাইয়ের মানদণ্ড, তদন্ত প্রতিবেদন এবং নির্বাচিত ব্যক্তিদের যোগ্যতার তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন