দেশজুড়ে বিরাজ করছে বিপরীতমুখী আবহাওয়া। একদিকে হিমালয়ের হিমেল বাতাসে শীতে কাঁপছে উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়, অন্যদিকে তীব্র গরমে নাভিশ্বাস উঠছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২১ জেলার মানুষের। একই দেশে একই সময়ে এমন বৈপরীত্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
ক্যালেন্ডারের পাতায় এখন হেমন্তকাল চললেও পঞ্চগড়ে যেন শীতের আগাম ছোঁয়া লেগেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ও জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
পঞ্চগড়ে সকাল থেকে মেঘমুক্ত আকাশ আর ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে সকাল থেকেই শীত অনুভূত হচ্ছে। রোদে দাঁড়ালে গরম, আবার ছায়ায় দাঁড়ালে শীতের আমেজ। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই বইতে শুরু করে হিমেল হাওয়া। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার পরিমাণও।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘প্রতিবছরই পঞ্চগড়ে সবার আগে শীত আসে এবং সবার পরে শীত যায়। এবারও তাই হবে। তবে গত কয়েকদিন ধরে আকাশে মেঘ না থাকায় হিমালয়ের বাতাসে শীত অনুভূত হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে জেলায় বৃষ্টি বলয় কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।’
ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে। ঢাকাসহ দেশের ২১ জেলায় বুধবার মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের সব জেলা এবং চাঁদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ভোলা, সিলেট, মৌলভীবাজার, ফেনী ও ময়মনসিংহ জেলায় এই তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার সিলেটে সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ জানান, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ এবং পরবর্তী সময়ে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাবে সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ আর্দ্রতা প্রবেশ করছে সমতলে। এর জন্যই এই তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আছড়ে পড়েছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
দেশজুড়ে বিরাজ করছে বিপরীতমুখী আবহাওয়া। একদিকে হিমালয়ের হিমেল বাতাসে শীতে কাঁপছে উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়, অন্যদিকে তীব্র গরমে নাভিশ্বাস উঠছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২১ জেলার মানুষের। একই দেশে একই সময়ে এমন বৈপরীত্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
ক্যালেন্ডারের পাতায় এখন হেমন্তকাল চললেও পঞ্চগড়ে যেন শীতের আগাম ছোঁয়া লেগেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ও জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
পঞ্চগড়ে সকাল থেকে মেঘমুক্ত আকাশ আর ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে সকাল থেকেই শীত অনুভূত হচ্ছে। রোদে দাঁড়ালে গরম, আবার ছায়ায় দাঁড়ালে শীতের আমেজ। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই বইতে শুরু করে হিমেল হাওয়া। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে কুয়াশার পরিমাণও।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘প্রতিবছরই পঞ্চগড়ে সবার আগে শীত আসে এবং সবার পরে শীত যায়। এবারও তাই হবে। তবে গত কয়েকদিন ধরে আকাশে মেঘ না থাকায় হিমালয়ের বাতাসে শীত অনুভূত হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে জেলায় বৃষ্টি বলয় কেটে গেলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে।’
ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে। ঢাকাসহ দেশের ২১ জেলায় বুধবার মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের সব জেলা এবং চাঁদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ভোলা, সিলেট, মৌলভীবাজার, ফেনী ও ময়মনসিংহ জেলায় এই তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার সিলেটে সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ জানান, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ এবং পরবর্তী সময়ে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাবে সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ আর্দ্রতা প্রবেশ করছে সমতলে। এর জন্যই এই তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আছড়ে পড়েছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে।

আপনার মতামত লিখুন