সংবাদ

সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম, এমপি ও ঠিকাদারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ


লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ
লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম, এমপি ও ঠিকাদারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ছবি : সংবাদ

সুনামগঞ্জের কাচিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার একটি কাজ চলমান রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু ও কালভার্টের নির্মাণকাজের জন্য জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় উল্লেখিত সড়কের লালপুর-সালামপুর সেতুর ১ ও ২ এবং ৫ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার ও গার্ডওয়াল নির্মাণকাজের ঠিকাদার নিযুক্ত হন ইসলাম কনস্ট্রাকশনের বদরুল ইকবাল।

৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বদরুল ইকবাল আওয়ামী লীগ সমর্থক হওয়ায় দেশ ছাড়েন। ওই সময় সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ২০ কোটি টাকায় কাজটি কিনে নেন। বদরুল ইকবালের সঙ্গে করা চুক্তির সময় বর্তমান সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সাক্ষী ছিলেন। আজাদ ও শফিকুল শেয়ারে কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে আজাদ হোসেনের সঙ্গে শফিকুলের বিরোধ দেখা দেয়। শফিকুল নানা কৌশলে আজাদ হোসেনকে বিতাড়িত করেন এবং আজাদ জেলও খাটেন। পুরো কাজের নিয়ন্ত্রণ নেন শফিকুল। কাজটি এখনো চলমান রয়েছে।

সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের লালপুর এলাকার সেতুর সংযোগ সড়ক প্রশস্তকরণ, গার্ডওয়াল নির্মাণ ও ব্লক স্থাপনের কাজ করছে সড়ক বিভাগ। নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ হচ্ছে বলে স্থানীয় এমপির কাছে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে নির্মাণকাজে অনিয়ম দেখতে পেয়ে ঠিকাদারকে ভর্ৎসনা করেন এমপি। কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন সড়ক বিভাগকে। তিনি বলেন, পরদিন সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিদর্শন করবেন এবং সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম যেন উপস্থিত থাকেন।

এর ঘণ্টা না যেতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন নির্মাণ প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম। রাতেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় এমপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির।

বুধবার দুপুরে ফের সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীকে নিয়ে নির্মাণকাজের এলাকা পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি বলেন, একটি অনুষ্ঠান থেকে যাওয়ার পথে এলাকাবাসী তাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণকাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন তিনি দেখতে পান সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ডওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। মাটি কম্পেকশন না করে জিও টেক্সটাইলের ওপর নিম্নমানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে। ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল।

তিনি বলেন, ‘এই সড়কটি হাওরের চারটি উপজেলার চলাচলের একমাত্র সড়ক। নির্মাণে অনিয়মের কারণে সড়কটি ধসে পড়লে আমার এলাকার জনগণের সীমাহীন ভোগান্তি হবে। তাই আমি নির্মাণকাজ বন্ধ করে অনিয়ম তদন্তে সড়ক বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি। ঠিকাদারকে ভর্ৎসনা করেছি। কিন্তু এর ঘণ্টা যেতে না যেতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর আমার বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছে।’

এমপি নুরুল বলেন, ‘তারা যদি মনে করে আমার বিরুদ্ধে স্ক্যান্ডাল রটিয়ে জনগণের পক্ষে কথা বলা থেকে দমানো যাবে, সেটা ভুল ধারণা। আমরা প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে আদায় করে নেব।’

তিনি বলেন, ‘আমার এলাকায় নির্মাণকাজে চাঁদাবাজির কোনো নজির নেই। তারা চাঁদা দাবির বিষয়টি প্রমাণ করুক, শাস্তি মাথা পেতে নেব। তবে সড়কে নির্মাণকাজে অনিয়মেরও শাস্তি তাদের পেতে হবে। অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল এই স্পটে আসার কারণে আমার বিরুদ্ধে স্ক্যান্ডাল রটানো হয়েছে। এই কাজ তো আরও আগ থেকে চলমান। আমরা সরকারে এসেছি আট মাস হয়েছে। এর আগে তো কারো বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ করেননি ঠিকাদার। এখন অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই চাঁদাবাজির অভিযোগ।’

তিনি বলেন, ‘আমি সড়ক বিভাগকে বলব, এই কাজ শতভাগ আদায় করে নিতে হবে। যেহেতু এই প্রতিষ্ঠান সীমাহীন অনিয়ম করছে, এই কাজ ছাড়া তাদের অন্য কোনো কাজ থাকলেও সেগুলো বন্ধ রেখে নির্মাণকাজের গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।’

সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগগুলো আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করব। ডিজাইন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করব। উপর থেকে যে নির্দেশনা আসে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে মাটির প্রেসার বেশি থাকায় গার্ডওয়াল হেলে গেছে, এটা সঠিক। আমরা বারবার ঠিকাদারকে সতর্ক করেছি যাতে কোনো ধরনের ডিফেকটিভ কাজ না করে।’

তিনি আরও জানান, এই কাজের ৫০ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং ৪৩ শতাংশ বিল ও উত্তোলন হয়েছে। ‘আমরা উন্নত মানের সামগ্রীর মাধ্যমে শতভাগ কাজ করাতে কঠোরভাবে মনিটরিং করব।’

জানা যায়, প্রকল্পের মূল ঠিকাদার বদরুল ইকবাল ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালান। আওয়ামী লীগ আমলে সংস্কারকাজের কার্যাদেশ পাওয়ার পর সাব-ঠিকাদার নেন আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেনকে। স্ট্যাম্পে চুক্তি করে ২০ কোটি টাকা নেন তার কাছ থেকে।

ব্যবসায়ী ও ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, ‘আমি মূল ঠিকাদারকে ২০ কোটি টাকা দিয়ে কাজটি কিনে নিই। আমার সঙ্গে শেয়ার ছিলেন আওয়ামী ঘরানার ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম। চুক্তিতে ১ নম্বর সাক্ষীও ছিলেন শফিকুল। এখন সে নানা কৌশলে আমাকে বিতাড়িত করে জেলও খাটিয়েছে। আমি এর প্রতিকার চাই।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম, এমপি ও ঠিকাদারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের কাচিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার একটি কাজ চলমান রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু ও কালভার্টের নির্মাণকাজের জন্য জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় উল্লেখিত সড়কের লালপুর-সালামপুর সেতুর ১ ও ২ এবং ৫ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার ও গার্ডওয়াল নির্মাণকাজের ঠিকাদার নিযুক্ত হন ইসলাম কনস্ট্রাকশনের বদরুল ইকবাল।

৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বদরুল ইকবাল আওয়ামী লীগ সমর্থক হওয়ায় দেশ ছাড়েন। ওই সময় সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন ২০ কোটি টাকায় কাজটি কিনে নেন। বদরুল ইকবালের সঙ্গে করা চুক্তির সময় বর্তমান সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সাক্ষী ছিলেন। আজাদ ও শফিকুল শেয়ারে কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে আজাদ হোসেনের সঙ্গে শফিকুলের বিরোধ দেখা দেয়। শফিকুল নানা কৌশলে আজাদ হোসেনকে বিতাড়িত করেন এবং আজাদ জেলও খাটেন। পুরো কাজের নিয়ন্ত্রণ নেন শফিকুল। কাজটি এখনো চলমান রয়েছে।

সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের লালপুর এলাকার সেতুর সংযোগ সড়ক প্রশস্তকরণ, গার্ডওয়াল নির্মাণ ও ব্লক স্থাপনের কাজ করছে সড়ক বিভাগ। নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ হচ্ছে বলে স্থানীয় এমপির কাছে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে নির্মাণকাজে অনিয়ম দেখতে পেয়ে ঠিকাদারকে ভর্ৎসনা করেন এমপি। কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন সড়ক বিভাগকে। তিনি বলেন, পরদিন সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিদর্শন করবেন এবং সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম যেন উপস্থিত থাকেন।

এর ঘণ্টা না যেতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন নির্মাণ প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম। রাতেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় এমপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির।

বুধবার দুপুরে ফের সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীকে নিয়ে নির্মাণকাজের এলাকা পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি বলেন, একটি অনুষ্ঠান থেকে যাওয়ার পথে এলাকাবাসী তাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণকাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন তিনি দেখতে পান সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ডওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। মাটি কম্পেকশন না করে জিও টেক্সটাইলের ওপর নিম্নমানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে। ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল।

তিনি বলেন, ‘এই সড়কটি হাওরের চারটি উপজেলার চলাচলের একমাত্র সড়ক। নির্মাণে অনিয়মের কারণে সড়কটি ধসে পড়লে আমার এলাকার জনগণের সীমাহীন ভোগান্তি হবে। তাই আমি নির্মাণকাজ বন্ধ করে অনিয়ম তদন্তে সড়ক বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি। ঠিকাদারকে ভর্ৎসনা করেছি। কিন্তু এর ঘণ্টা যেতে না যেতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর আমার বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছে।’

এমপি নুরুল বলেন, ‘তারা যদি মনে করে আমার বিরুদ্ধে স্ক্যান্ডাল রটিয়ে জনগণের পক্ষে কথা বলা থেকে দমানো যাবে, সেটা ভুল ধারণা। আমরা প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে আদায় করে নেব।’

তিনি বলেন, ‘আমার এলাকায় নির্মাণকাজে চাঁদাবাজির কোনো নজির নেই। তারা চাঁদা দাবির বিষয়টি প্রমাণ করুক, শাস্তি মাথা পেতে নেব। তবে সড়কে নির্মাণকাজে অনিয়মেরও শাস্তি তাদের পেতে হবে। অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল এই স্পটে আসার কারণে আমার বিরুদ্ধে স্ক্যান্ডাল রটানো হয়েছে। এই কাজ তো আরও আগ থেকে চলমান। আমরা সরকারে এসেছি আট মাস হয়েছে। এর আগে তো কারো বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ করেননি ঠিকাদার। এখন অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই চাঁদাবাজির অভিযোগ।’

তিনি বলেন, ‘আমি সড়ক বিভাগকে বলব, এই কাজ শতভাগ আদায় করে নিতে হবে। যেহেতু এই প্রতিষ্ঠান সীমাহীন অনিয়ম করছে, এই কাজ ছাড়া তাদের অন্য কোনো কাজ থাকলেও সেগুলো বন্ধ রেখে নির্মাণকাজের গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।’

সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগগুলো আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করব। ডিজাইন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করব। উপর থেকে যে নির্দেশনা আসে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে মাটির প্রেসার বেশি থাকায় গার্ডওয়াল হেলে গেছে, এটা সঠিক। আমরা বারবার ঠিকাদারকে সতর্ক করেছি যাতে কোনো ধরনের ডিফেকটিভ কাজ না করে।’

তিনি আরও জানান, এই কাজের ৫০ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং ৪৩ শতাংশ বিল ও উত্তোলন হয়েছে। ‘আমরা উন্নত মানের সামগ্রীর মাধ্যমে শতভাগ কাজ করাতে কঠোরভাবে মনিটরিং করব।’

জানা যায়, প্রকল্পের মূল ঠিকাদার বদরুল ইকবাল ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালান। আওয়ামী লীগ আমলে সংস্কারকাজের কার্যাদেশ পাওয়ার পর সাব-ঠিকাদার নেন আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেনকে। স্ট্যাম্পে চুক্তি করে ২০ কোটি টাকা নেন তার কাছ থেকে।

ব্যবসায়ী ও ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন বলেন, ‘আমি মূল ঠিকাদারকে ২০ কোটি টাকা দিয়ে কাজটি কিনে নিই। আমার সঙ্গে শেয়ার ছিলেন আওয়ামী ঘরানার ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম। চুক্তিতে ১ নম্বর সাক্ষীও ছিলেন শফিকুল। এখন সে নানা কৌশলে আমাকে বিতাড়িত করে জেলও খাটিয়েছে। আমি এর প্রতিকার চাই।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত