ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ইবাদত-বন্দেগি ও আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শহরের বালাঘাটায় জেলা মারকাজ ময়দানে গত ২৯ অক্টোবর শুরু হওয়া এ ইজতেমায় দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি দেশের বাইরে থেকেও তাবলিগের জামাতের লোকজন ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ধর্মীয় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে সমবেত হন। এতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় এক ধর্মীয় আবহ। মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে ইজতেমা প্রাঙ্গণ।
ইজতেমায় পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বয়ানে ইমান-আমল, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া, মানবিক মূল্যবোধ, ইসলামি জীবনবিধান এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে করণীয় সম্পর্কে মুসল্লিদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব বয়ান ও নসিহত শোনার পাশাপাশি মুসল্লিরা নামাজ, জিকির-আজকার, তসবিহ-তাহলিল ও অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমার সমাপ্তি ঘটে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস উদ্দীন মোজাম্মেল। মোনাজাতে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়।
আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমা ময়দানে বিপুলসংখ্যাক মুসল্লির সমাগম ঘটে। মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
ধর্মীয় শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি ও ইসলামি মূল্যবোধ চর্চার মধ্য দিয়ে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত এ ইজতেমা শেষ হওয়ায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের মধ্যে সন্তোষ দেখা যায়।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ইবাদত-বন্দেগি ও আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শহরের বালাঘাটায় জেলা মারকাজ ময়দানে গত ২৯ অক্টোবর শুরু হওয়া এ ইজতেমায় দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি দেশের বাইরে থেকেও তাবলিগের জামাতের লোকজন ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ধর্মীয় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে সমবেত হন। এতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় এক ধর্মীয় আবহ। মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে ইজতেমা প্রাঙ্গণ।
ইজতেমায় পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বয়ানে ইমান-আমল, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া, মানবিক মূল্যবোধ, ইসলামি জীবনবিধান এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে করণীয় সম্পর্কে মুসল্লিদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব বয়ান ও নসিহত শোনার পাশাপাশি মুসল্লিরা নামাজ, জিকির-আজকার, তসবিহ-তাহলিল ও অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমার সমাপ্তি ঘটে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস উদ্দীন মোজাম্মেল। মোনাজাতে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়।
আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমা ময়দানে বিপুলসংখ্যাক মুসল্লির সমাগম ঘটে। মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
ধর্মীয় শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি ও ইসলামি মূল্যবোধ চর্চার মধ্য দিয়ে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত এ ইজতেমা শেষ হওয়ায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের মধ্যে সন্তোষ দেখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন