২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় জামালপুর জেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ২২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ময়মনসিংহের শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গেছে।
শতভাগ অকৃতকার্য বা শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর কুমারিয়া নাসুবা হাকিম বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৬ জন), ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (৭ জন), মাদারগঞ্জ উপজেলার নব্বচর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (৫ জন) এবং মেলান্দহ উপজেলার এস এম শিখা মুখলেছুর রহমান কলেজ (৪ জন)।
কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার এই ব্যর্থতায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত শ্রেণিকার্যক্রম না হওয়া, শিক্ষক সংকট এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন বিপর্যয় ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম জানান, জেলার চারটি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসার বিষয়টি জেলা প্রশাসন অবগত আছে। দ্রুত ঘটনাটির সার্বিক তদন্ত করে শিক্ষা বোর্ডে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠানো হবে এবং তদন্তের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় জামালপুর জেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ২২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ময়মনসিংহের শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গেছে।
শতভাগ অকৃতকার্য বা শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর কুমারিয়া নাসুবা হাকিম বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৬ জন), ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (৭ জন), মাদারগঞ্জ উপজেলার নব্বচর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (৫ জন) এবং মেলান্দহ উপজেলার এস এম শিখা মুখলেছুর রহমান কলেজ (৪ জন)।
কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার এই ব্যর্থতায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত শ্রেণিকার্যক্রম না হওয়া, শিক্ষক সংকট এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন বিপর্যয় ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম জানান, জেলার চারটি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্যের কোঠায় নেমে আসার বিষয়টি জেলা প্রশাসন অবগত আছে। দ্রুত ঘটনাটির সার্বিক তদন্ত করে শিক্ষা বোর্ডে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠানো হবে এবং তদন্তের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন