চাঁদপুর জেলায় ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি), আলিম ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জেলার সার্বিক ফলাফলে এইচএসসির তুলনায় আলিম ও কারিগরি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার বেশি দেখা গেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে জেলা শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল্লা।
জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এইচএসসি পরীক্ষায় জেলার ৬৯টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ২৭৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ১৯ জন। পাসের হার ৪৫.০৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০৭ জন শিক্ষার্থী। জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে চাঁদপুর সরকারি কলেজ; এই কলেজ থেকে ৫৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন, যেখানে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন। এছাড়া উপজেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় এইচএসসিতে শাহরাস্তি উপজেলায় পাসের হার তুলনামূলকভাবে সর্বোচ্চ (৪৪.৮৮%) রয়েছে।
অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষায় জেলার ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। এই পরীক্ষায় পাসের হার ৬৪.২৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫ জন। আলিমে হাজীগঞ্জ উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮২.০১ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
এছাড়া এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় জেলার ১৩টি প্রতিষ্ঠানের ৯৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৮০ জন। এই বিভাগে পাসের হার ৬৯.৯৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭ জন শিক্ষার্থী। বিশেষ করে শাহরাস্তি উপজেলায় ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
তিনটি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সাধারণ এইচএসসির তুলনায় আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার সন্তোষজনক হলেও সাধারণ এইচএসসিতে পাসের হার তুলনামূলক কম। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুর জেলায় ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি), আলিম ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জেলার সার্বিক ফলাফলে এইচএসসির তুলনায় আলিম ও কারিগরি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার বেশি দেখা গেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে জেলা শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল্লা।
জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এইচএসসি পরীক্ষায় জেলার ৬৯টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ২৭৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ১৯ জন। পাসের হার ৪৫.০৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০৭ জন শিক্ষার্থী। জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে চাঁদপুর সরকারি কলেজ; এই কলেজ থেকে ৫৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন, যেখানে পাসের হার ৮৫.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন। এছাড়া উপজেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় এইচএসসিতে শাহরাস্তি উপজেলায় পাসের হার তুলনামূলকভাবে সর্বোচ্চ (৪৪.৮৮%) রয়েছে।
অন্যদিকে, আলিম পরীক্ষায় জেলার ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। এই পরীক্ষায় পাসের হার ৬৪.২৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫ জন। আলিমে হাজীগঞ্জ উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮২.০১ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
এছাড়া এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় জেলার ১৩টি প্রতিষ্ঠানের ৯৭২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৮০ জন। এই বিভাগে পাসের হার ৬৯.৯৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭ জন শিক্ষার্থী। বিশেষ করে শাহরাস্তি উপজেলায় ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
তিনটি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সাধারণ এইচএসসির তুলনায় আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার সন্তোষজনক হলেও সাধারণ এইচএসসিতে পাসের হার তুলনামূলক কম। শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন