চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফেনী জেলায় দুটি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, টানা চার বছর শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার রেকর্ড থাকলেও এবার সেই ধারা ধরে রাখতে পারেনি ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
কুমিল্লা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ফেনী জেলায় এবার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ।
এর মধ্যে বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, বিকন মডেল কলেজ থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ মিলিয়ে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
ভাঙল ক্যাডেট কলেজের রেকর্ড
ফলাফলে দেখা যায়, স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে এবার ৬১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করলেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬০ জন অংশ নিয়ে ৪৪ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ১ জন অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির গত চার বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ক্যাডেট কলেজটির সব পরীক্ষার্থীই জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ৪৮ জন, ২০২৪ সালে ৫৫ জন, ২০২৩ সালে ৫৭ জন এবং ২০২২ সালে ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই সর্বোচ্চ ফল (জিপিএ-৫) পেয়েছিলেন। দীর্ঘ চার বছর পর এবার সেই শতভাগ জিপিএ-৫ এর রেকর্ড ভঙ্গ হলো।
জেলার সার্বিক ফলাফল
বোর্ড সূত্রে আরও জানা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ফেনী জেলার ৪১টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ১১টি কেন্দ্রে অংশ নেন। জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৮৭২ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৫৯৯ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৬৭৮ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ২৬২ জন। জেলায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪১ জন শিক্ষার্থী।
কুমিল্লা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা জেলা (৫৩.৫২ শতাংশ)। এর পরেই রয়েছে ফেনী জেলা, যেখানে পাসের হার ৫২.১৬ শতাংশ। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০.১৫ শতাংশ, চাঁদপুরে ৪৫.৩৫ শতাংশ, লক্ষ্মীপুরে ৪১.২৯ শতাংশ এবং নোয়াখালীতে ৩৮.৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফেনী জেলায় দুটি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, টানা চার বছর শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার রেকর্ড থাকলেও এবার সেই ধারা ধরে রাখতে পারেনি ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
কুমিল্লা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ফেনী জেলায় এবার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ।
এর মধ্যে বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে তিনজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, বিকন মডেল কলেজ থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ মিলিয়ে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
ভাঙল ক্যাডেট কলেজের রেকর্ড
ফলাফলে দেখা যায়, স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে এবার ৬১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করলেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৫ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬০ জন অংশ নিয়ে ৪৪ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ১ জন অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির গত চার বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ক্যাডেট কলেজটির সব পরীক্ষার্থীই জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ৪৮ জন, ২০২৪ সালে ৫৫ জন, ২০২৩ সালে ৫৭ জন এবং ২০২২ সালে ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই সর্বোচ্চ ফল (জিপিএ-৫) পেয়েছিলেন। দীর্ঘ চার বছর পর এবার সেই শতভাগ জিপিএ-৫ এর রেকর্ড ভঙ্গ হলো।
জেলার সার্বিক ফলাফল
বোর্ড সূত্রে আরও জানা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ফেনী জেলার ৪১টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ১১টি কেন্দ্রে অংশ নেন। জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৮৭২ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৫৯৯ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৬৭৮ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ২৬২ জন। জেলায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪১ জন শিক্ষার্থী।
কুমিল্লা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা জেলা (৫৩.৫২ শতাংশ)। এর পরেই রয়েছে ফেনী জেলা, যেখানে পাসের হার ৫২.১৬ শতাংশ। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০.১৫ শতাংশ, চাঁদপুরে ৪৫.৩৫ শতাংশ, লক্ষ্মীপুরে ৪১.২৯ শতাংশ এবং নোয়াখালীতে ৩৮.৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন