জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠলে বিএনপি সরকারকেই ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেছেন, ‘উনারা (বিএনপি) কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের কথা তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিলেন। মনে রাখতে হবে, যত কার্ডের লোভই দেখান না কেন, মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেলে জনগণের হাতেও একটি কার্ড আছে। সেই কার্ডটি হলো লাল কার্ড; সেটি কিন্তু জনগণ আপনাদের দেখিয়ে দেবে।’
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা ইমাম-খতিবদের বেতন-ভাতা দেওয়ার নামে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সচিবালয় থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত তা লুটপাট ও ভাগাভাগি করতে গিয়ে জাতির মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করা হয়েছে। নিজেদের ভাগাভাগি ও মারামারির কারণে এখন কোনটা কে খাবে আর কে গণনা করবে, সেই চিন্তায় তারা নিজেরাই টিকতে পারছে না।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গণভোট মেনে নিলে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সুযোগ থাকবে না বলেই সরকার এতে রাজি হচ্ছে না। কিন্তু জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই গণরায় সংসদে মেনে না নিলে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।’
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর আলী আজম মো. আবু বকরের সভাপতিত্বে পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, ডাকসুর ভিপি আখতার হোসেন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠলে বিএনপি সরকারকেই ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেছেন, ‘উনারা (বিএনপি) কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের কথা তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিলেন। মনে রাখতে হবে, যত কার্ডের লোভই দেখান না কেন, মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেলে জনগণের হাতেও একটি কার্ড আছে। সেই কার্ডটি হলো লাল কার্ড; সেটি কিন্তু জনগণ আপনাদের দেখিয়ে দেবে।’
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা ইমাম-খতিবদের বেতন-ভাতা দেওয়ার নামে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সচিবালয় থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত তা লুটপাট ও ভাগাভাগি করতে গিয়ে জাতির মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করা হয়েছে। নিজেদের ভাগাভাগি ও মারামারির কারণে এখন কোনটা কে খাবে আর কে গণনা করবে, সেই চিন্তায় তারা নিজেরাই টিকতে পারছে না।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গণভোট মেনে নিলে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সুযোগ থাকবে না বলেই সরকার এতে রাজি হচ্ছে না। কিন্তু জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই গণরায় সংসদে মেনে না নিলে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।’
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর আলী আজম মো. আবু বকরের সভাপতিত্বে পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, ডাকসুর ভিপি আখতার হোসেন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন