ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি হিসেবে পরিচিত ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশের ২৬ জনের প্রাথমিক সংক্ষিপ্ত তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এবারের এই তালিকাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পেশাদার ফুটবলারদের সরাসরি গোপন ভোটের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নির্বাচিত হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের তারকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই তালিকায় বরাবরের মতো এবারও বেশ কিছু চমকপ্রদ নাম জায়গা করে নিয়েছে।
খেলোয়াড়দের এই স্বনামধন্য ভোটিং প্রক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে সবমিলিয়ে ১৯ হাজার ৮০৬ জন পেশাদার ফুটবলার অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মাঠের পারফরম্যান্স এবং ধারাবাহিক নৈপুণ্য বিবেচনা করেই খেলোয়াড়েরা তাদের সেরা পছন্দগুলো বেছে নিয়েছেন। এই বিশাল তালিকা থেকে দীর্ঘ বাছাই ও মূল্যায়নের পর চূড়ান্ত একাদশে জায়গা পাবেন কেবল বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবল তারকারারা।
প্রকাশিত এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশ্ব ফুটবলের বেশ কিছু মহাতারকার নাম স্পষ্টভাবে উজ্জ্বল হয়ে আছে। আধুনিক ফুটবলের জীবন্ত দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যথারীতি এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। তাদের সঙ্গে গোল করার মেশিন হিসেবে পরিচিত ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনও এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।
এছাড়া বর্তমান প্রজন্মের সেরা তারকাদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপে, গোলমেশিন আরলিং হালান্ড, রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা জুড বেলিংহাম এবং বার্সেলোনার বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামালের মতো বিশ্বখ্যাত তারকারাও এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় বুক উঁচু করে জায়গা করে নিয়েছেন।
মাঠের পজিশন অনুযায়ী অন্যান্য তারকাদের মধ্যে রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের লড়াইয়েও রয়েছে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা। বার্সেলোনার তারকা মিডফিল্ডার রদ্রি, রিয়াল মাদ্রিদের বিশ্বস্ত গোলকিপার থিবো কুর্তোয়া এবং লিভারপুলের পরীক্ষিত রক্ষণভাগের দেয়াল ভার্জিল ফন ডাইক এই মনোনয়ন পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত।
ডিফেন্ডারদের এই লম্বা তালিকায় আরও রয়েছেন আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল ও উইলিয়াম সালিবা, বার্সেলোনার তরুণ ও উদীয়মান ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের দুই ক্ষিপ্র ফুলব্যাক আশরাফ হাকিমি ও নুনো মেন্দেস।
মাঝমাঠের সৃজনশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে তালিকার জায়গা পেয়েছেন বার্সেলোনার পেদ্রি, আর্সেনালের ডেকলান রাইস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডের কান্ডারি ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং পিএসজির ভিতিনিহা।
এছাড়া গোলরক্ষক পজিশনে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ এবং স্পেনের নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যান্য বড় বড় ব্যক্তিগত পুরস্কারের ভিড়ে ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশের বিশেষ এবং অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কোনো সাংবাদিক বা সাধারণ দর্শকের ভোটে নির্বাচিত হয় না। এই মর্যাদাপূর্ণ একাদশটি পুরোপুরিভাবে নির্বাচিত হয় কেবল খোদ পেশাদার ফুটবলারদের নিজেদের গোপন ভোটে।
মাঠে যারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়েন কিংবা একসঙ্গে সতীর্থ হিসেবে ঘাম ঝরান, সেই সতীর্থ ও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরাই নিখুঁতভাবে মাঠের পারফরম্যান্স বিচার করে বিশ্ব ফুটবলের এই সেরা একাদশটি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে বেছে নেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতি হিসেবে পরিচিত ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশের ২৬ জনের প্রাথমিক সংক্ষিপ্ত তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এবারের এই তালিকাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পেশাদার ফুটবলারদের সরাসরি গোপন ভোটের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নির্বাচিত হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের তারকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই তালিকায় বরাবরের মতো এবারও বেশ কিছু চমকপ্রদ নাম জায়গা করে নিয়েছে।
খেলোয়াড়দের এই স্বনামধন্য ভোটিং প্রক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে সবমিলিয়ে ১৯ হাজার ৮০৬ জন পেশাদার ফুটবলার অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মাঠের পারফরম্যান্স এবং ধারাবাহিক নৈপুণ্য বিবেচনা করেই খেলোয়াড়েরা তাদের সেরা পছন্দগুলো বেছে নিয়েছেন। এই বিশাল তালিকা থেকে দীর্ঘ বাছাই ও মূল্যায়নের পর চূড়ান্ত একাদশে জায়গা পাবেন কেবল বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবল তারকারারা।
প্রকাশিত এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশ্ব ফুটবলের বেশ কিছু মহাতারকার নাম স্পষ্টভাবে উজ্জ্বল হয়ে আছে। আধুনিক ফুটবলের জীবন্ত দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যথারীতি এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। তাদের সঙ্গে গোল করার মেশিন হিসেবে পরিচিত ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনও এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।
এছাড়া বর্তমান প্রজন্মের সেরা তারকাদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপে, গোলমেশিন আরলিং হালান্ড, রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা জুড বেলিংহাম এবং বার্সেলোনার বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামালের মতো বিশ্বখ্যাত তারকারাও এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় বুক উঁচু করে জায়গা করে নিয়েছেন।
মাঠের পজিশন অনুযায়ী অন্যান্য তারকাদের মধ্যে রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের লড়াইয়েও রয়েছে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা। বার্সেলোনার তারকা মিডফিল্ডার রদ্রি, রিয়াল মাদ্রিদের বিশ্বস্ত গোলকিপার থিবো কুর্তোয়া এবং লিভারপুলের পরীক্ষিত রক্ষণভাগের দেয়াল ভার্জিল ফন ডাইক এই মনোনয়ন পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত।
ডিফেন্ডারদের এই লম্বা তালিকায় আরও রয়েছেন আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল ও উইলিয়াম সালিবা, বার্সেলোনার তরুণ ও উদীয়মান ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের দুই ক্ষিপ্র ফুলব্যাক আশরাফ হাকিমি ও নুনো মেন্দেস।
মাঝমাঠের সৃজনশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে তালিকার জায়গা পেয়েছেন বার্সেলোনার পেদ্রি, আর্সেনালের ডেকলান রাইস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডের কান্ডারি ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং পিএসজির ভিতিনিহা।
এছাড়া গোলরক্ষক পজিশনে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ এবং স্পেনের নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যান্য বড় বড় ব্যক্তিগত পুরস্কারের ভিড়ে ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশের বিশেষ এবং অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কোনো সাংবাদিক বা সাধারণ দর্শকের ভোটে নির্বাচিত হয় না। এই মর্যাদাপূর্ণ একাদশটি পুরোপুরিভাবে নির্বাচিত হয় কেবল খোদ পেশাদার ফুটবলারদের নিজেদের গোপন ভোটে।
মাঠে যারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়েন কিংবা একসঙ্গে সতীর্থ হিসেবে ঘাম ঝরান, সেই সতীর্থ ও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরাই নিখুঁতভাবে মাঠের পারফরম্যান্স বিচার করে বিশ্ব ফুটবলের এই সেরা একাদশটি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে বেছে নেন।

আপনার মতামত লিখুন