সংবাদ

অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ এএম

অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। সোমবার দিবাগত রাতে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে এটি স্থলভাগ অতিক্রম শুরু করে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

আবহাওয়া দপ্তরের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ৩ নভেম্বর রাত একটার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে টানা ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যটির একাধিক স্থানে প্রবল বর্ষণ শুরু হয়েছে।

রাত ১টা ৩০ মিনিটের বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল। এটি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

আইএমডি জানায়, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সকাল পর্যন্ত উপকূলে ও উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টা জুড়ে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ ছাড়া বুধবার সকাল পর্যন্ত জোয়ারের স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। এতে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় সবচেয়ে বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমডি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। সোমবার দিবাগত রাতে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে এটি স্থলভাগ অতিক্রম শুরু করে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

আবহাওয়া দপ্তরের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ৩ নভেম্বর রাত একটার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে টানা ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যটির একাধিক স্থানে প্রবল বর্ষণ শুরু হয়েছে।

রাত ১টা ৩০ মিনিটের বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল। এটি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

আইএমডি জানায়, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সকাল পর্যন্ত উপকূলে ও উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টা জুড়ে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ ছাড়া বুধবার সকাল পর্যন্ত জোয়ারের স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। এতে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় সবচেয়ে বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএমডি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত