দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকার নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দিচ্ছে না। অতীতে যেসব অবৈধ ক্লিনিক গড়ে উঠেছে, তার সবই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হয়েছে। অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হুট করে একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সম্ভব নয়, পর্যায়ক্রমে এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পূর্বঘোষণা ছাড়াই মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসা সেবার মান ও সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ওষুধের প্রাপ্যতা ও নানা সমস্যার কথা শোনেন। সরকারি নিয়মে নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতালে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর বার্তা দেন তিনি। এছাড়া কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
এ সময় সাধারণ মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার সঙ্গে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাসসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে তিনি জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকার নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দিচ্ছে না। অতীতে যেসব অবৈধ ক্লিনিক গড়ে উঠেছে, তার সবই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হয়েছে। অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হুট করে একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সম্ভব নয়, পর্যায়ক্রমে এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পূর্বঘোষণা ছাড়াই মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসা সেবার মান ও সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ওষুধের প্রাপ্যতা ও নানা সমস্যার কথা শোনেন। সরকারি নিয়মে নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতালে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর বার্তা দেন তিনি। এছাড়া কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
এ সময় সাধারণ মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার সঙ্গে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাসসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে তিনি জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

আপনার মতামত লিখুন