ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করার জেরে মারধরের শিকার তৌফিক হোসেন নামে এক গার্মেন্টস কর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। পরে তার লাশ নিয়ে ওইদিনই গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে চলে যান স্বজনরা।
নিহত তৌফিক হোসেন (২১) গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে লায়লা স্টাইলস লিমিটেড কারখানায় চাকরি করতেন।
পুলিশ যায়, চলমান আন্দোলনে গত রোববার (১ নভেম্বর) নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন তৌফিক। এ সময় বিক্ষোভকারীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে শ্রমিকরাই তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, শ্রমিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে পুলিশের ওই অভিযানে তৌফিক আহত হননি। তিনি ভিডিও ধারণের সময় শ্রমিকরাই তাকে মারধর করেন। এতে তিনি আহত হয়েছিলেন।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করার জেরে মারধরের শিকার তৌফিক হোসেন নামে এক গার্মেন্টস কর্মী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। পরে তার লাশ নিয়ে ওইদিনই গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে চলে যান স্বজনরা।
নিহত তৌফিক হোসেন (২১) গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে লায়লা স্টাইলস লিমিটেড কারখানায় চাকরি করতেন।
পুলিশ যায়, চলমান আন্দোলনে গত রোববার (১ নভেম্বর) নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন তৌফিক। এ সময় বিক্ষোভকারীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে শ্রমিকরাই তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, শ্রমিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে পুলিশের ওই অভিযানে তৌফিক আহত হননি। তিনি ভিডিও ধারণের সময় শ্রমিকরাই তাকে মারধর করেন। এতে তিনি আহত হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন