ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসন ও যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি এখন পুরোপুরি তেহরানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনার পর 'বল এখন ইরানের কোর্টে'।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র শান্তি
চায় তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব স্থিতিশীলতার স্বার্থে দুটি প্রধান শর্তে কোনো ছাড়
দেবে না। প্রথমত, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ থাকতে
হবে। দ্বিতীয়ত, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য একটি
কার্যকর ও শক্তিশালী যাচাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
জেডি ভ্যান্স আরও উল্লেখ করেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক
অস্ত্র কর্মসূচি স্থায়ীভাবে ত্যাগ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে একটি ‘স্বাভাবিক
দেশ’ হিসেবে আচরণ করতে এবং সম্পর্ক সচল করতে প্রস্তুত।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায়
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে এই নৌপথটি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জোরালো
দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি
কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে ভ্যান্সের এই বক্তব্যের পর কূটনীতিবিদরা
মনে করছেন, আলোচনার দরজা এখনো বন্ধ হয়নি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় এখন তেহরানের।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসন ও যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি এখন পুরোপুরি তেহরানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনার পর 'বল এখন ইরানের কোর্টে'।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্র শান্তি
চায় তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব স্থিতিশীলতার স্বার্থে দুটি প্রধান শর্তে কোনো ছাড়
দেবে না। প্রথমত, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ থাকতে
হবে। দ্বিতীয়ত, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য একটি
কার্যকর ও শক্তিশালী যাচাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
জেডি ভ্যান্স আরও উল্লেখ করেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক
অস্ত্র কর্মসূচি স্থায়ীভাবে ত্যাগ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে একটি ‘স্বাভাবিক
দেশ’ হিসেবে আচরণ করতে এবং সম্পর্ক সচল করতে প্রস্তুত।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায়
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে এই নৌপথটি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জোরালো
দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি
কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে ভ্যান্সের এই বক্তব্যের পর কূটনীতিবিদরা
মনে করছেন, আলোচনার দরজা এখনো বন্ধ হয়নি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায় এখন তেহরানের।

আপনার মতামত লিখুন