মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে বড় ধরনের অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বার্তা সংস্থা এপি-র এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারী দেশের এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আলোচনা পুনরায় শুরু করতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে ওয়াশিংটন
ও তেহরান। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তান ও সুইজারল্যান্ডের নাম আলোচনায়। মধ্যস্থতাকারী
হিসেবে পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান।
বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও স্থান নিয়ে এখনো
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। এপি ও মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকের জন্য পাকিস্তানের
রাজধানী ইসলামাবাদকে প্রথম পছন্দ হিসেবে ভাবা হচ্ছে। তবে বিকল্প হিসেবে সুইজারল্যান্ডের
জেনেভার নামও বেশ শক্তিশালীভাবে আলোচনায় রয়েছে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, প্রথম দফা বৈঠকের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। বিশেষ করে পাকিস্তান
এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় মূল সেতু হিসেবে কাজ করছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার গোপনীয়
বার্তা আদান-প্রদান এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে ইসলামাবাদ বর্তমানে অত্যন্ত
সক্রিয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার
আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে বড় ধরনের অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় সরাসরি আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বার্তা সংস্থা এপি-র এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারী দেশের এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আলোচনা পুনরায় শুরু করতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে ওয়াশিংটন
ও তেহরান। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তান ও সুইজারল্যান্ডের নাম আলোচনায়। মধ্যস্থতাকারী
হিসেবে পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান।
বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও স্থান নিয়ে এখনো
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। এপি ও মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকের জন্য পাকিস্তানের
রাজধানী ইসলামাবাদকে প্রথম পছন্দ হিসেবে ভাবা হচ্ছে। তবে বিকল্প হিসেবে সুইজারল্যান্ডের
জেনেভার নামও বেশ শক্তিশালীভাবে আলোচনায় রয়েছে।
রয়টার্সের তথ্যমতে, প্রথম দফা বৈঠকের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। বিশেষ করে পাকিস্তান
এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় মূল সেতু হিসেবে কাজ করছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার গোপনীয়
বার্তা আদান-প্রদান এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে ইসলামাবাদ বর্তমানে অত্যন্ত
সক্রিয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার
আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

আপনার মতামত লিখুন