ইরানি বন্দরগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্তকে দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর ‘গুরুতর আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করেছে তেহরান। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া দুই দেশের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
মার্কিন অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের পরিপন্থী
বলল ইরান। জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি দিয়ে তীব্র নিন্দা ও হস্তক্ষেপের দাবি। অবরোধের
ফলে হরমুজ প্রণালি ও বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগ। প্রতিবেশি দেশগুলোতে
থাকা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের দাবি তেহরানের।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত
আমির সাঈদ ইরাভানি সোমবার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক
চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, সমুদ্রপথে এই অবরোধ আরোপ করা ইরানের ভৌগোলিক
অখণ্ডতার ওপর এক গুরুতর আঘাত এবং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধের নির্দেশ
দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো ইরানি জাহাজ এই অবরোধ চ্যালেঞ্জ করলে তা ধ্বংস
করে দেওয়া হবে। জিএমটি সময় সোমবার ১৪টা থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’
দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বিশ্বের
মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। দুই পক্ষই এই গুরুত্বপূর্ণ
জলপথকে নিজেদের প্রভাব খাটানোর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের
অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত ইরাভানি অপর এক চিঠিতে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে
মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের এই ‘বেআইনি’ কার্যক্রমে সহযোগিতা বন্ধের দাবি জানান।
তিনি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের নাম উল্লেখ করে বলেন,
ইরানের সব ধরনের বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এই দেশগুলোকেই দিতে হবে।
পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি
চললেও এই নতুন সংকট পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানি বন্দরগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্তকে দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর ‘গুরুতর আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করেছে তেহরান। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া দুই দেশের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
মার্কিন অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের পরিপন্থী
বলল ইরান। জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি দিয়ে তীব্র নিন্দা ও হস্তক্ষেপের দাবি। অবরোধের
ফলে হরমুজ প্রণালি ও বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগ। প্রতিবেশি দেশগুলোতে
থাকা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের দাবি তেহরানের।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত
আমির সাঈদ ইরাভানি সোমবার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক
চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, সমুদ্রপথে এই অবরোধ আরোপ করা ইরানের ভৌগোলিক
অখণ্ডতার ওপর এক গুরুতর আঘাত এবং এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধের নির্দেশ
দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো ইরানি জাহাজ এই অবরোধ চ্যালেঞ্জ করলে তা ধ্বংস
করে দেওয়া হবে। জিএমটি সময় সোমবার ১৪টা থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’
দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বিশ্বের
মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। দুই পক্ষই এই গুরুত্বপূর্ণ
জলপথকে নিজেদের প্রভাব খাটানোর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের
অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত ইরাভানি অপর এক চিঠিতে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে
মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তাদের এই ‘বেআইনি’ কার্যক্রমে সহযোগিতা বন্ধের দাবি জানান।
তিনি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের নাম উল্লেখ করে বলেন,
ইরানের সব ধরনের বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এই দেশগুলোকেই দিতে হবে।
পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি
চললেও এই নতুন সংকট পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন