ইসরায়েলের কাছে মার্কিন সমরাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্রে তুমুল বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে কয়েকশ শান্তিকামী মানুষ এই বিক্ষোভে শামিল হন।
মার্কিন সিনেটরদের দফতরের বাইরে ৩০০-এর বেশি মানুষের অবস্থান
ধর্মঘট। যুদ্ধ নয়, জনকল্যাণে অর্থ বরাদ্দের দাবি। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর কমপক্ষে
১০০ বিক্ষোভকারীকে আটক।
বিক্ষোভকারীরা ম্যানহাটনে অবস্থিত মার্কিন সিনেটর চাক শুমার
এবং কির্স্টেন গিলিব্র্যান্ডের দফতরের সামনে অবস্থান নেন। প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারী
সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন এবং সম্ভাব্য সিনেট ভোটে ইসরায়েলে অতিরিক্ত অস্ত্র বিক্রির
বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য সিনেটরদের প্রতি আহ্বান জানান। তাদের মূল দাবি অস্ত্রের
পেছনে অর্থ ব্যয় না করে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সেই অর্থ ব্যবহার করা হোক।
বিক্ষোভের একপর্যায়ে রাস্তা অবরোধ করায় পুলিশ তাদের সরে যাওয়ার
নির্দেশ দেয়। রাস্তা পরিষ্কার না করলে বিক্ষোভকারীদের আটকের হুমকি দেওয়া হয়। তবে বিক্ষোভকারীরা
সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে অনড় অবস্থানে থাকলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ
শুরু হয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কঠোর
অবস্থানে যায়। এ সময় আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে কমপক্ষে ১০০ জন বিক্ষোভকারীকে
আটক করে নিউইয়র্ক পুলিশ।
মার্কিন প্রশাসনের ইসরায়েল নীতি নিয়ে দেশটির ভেতরে সাধারণ
মানুষের মধ্যে যে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে, এই বিক্ষোভকে তারই একটি বড় প্রতিফলন
হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েলের কাছে মার্কিন সমরাস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্রে তুমুল বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে কয়েকশ শান্তিকামী মানুষ এই বিক্ষোভে শামিল হন।
মার্কিন সিনেটরদের দফতরের বাইরে ৩০০-এর বেশি মানুষের অবস্থান
ধর্মঘট। যুদ্ধ নয়, জনকল্যাণে অর্থ বরাদ্দের দাবি। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর কমপক্ষে
১০০ বিক্ষোভকারীকে আটক।
বিক্ষোভকারীরা ম্যানহাটনে অবস্থিত মার্কিন সিনেটর চাক শুমার
এবং কির্স্টেন গিলিব্র্যান্ডের দফতরের সামনে অবস্থান নেন। প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারী
সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন এবং সম্ভাব্য সিনেট ভোটে ইসরায়েলে অতিরিক্ত অস্ত্র বিক্রির
বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য সিনেটরদের প্রতি আহ্বান জানান। তাদের মূল দাবি অস্ত্রের
পেছনে অর্থ ব্যয় না করে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সেই অর্থ ব্যবহার করা হোক।
বিক্ষোভের একপর্যায়ে রাস্তা অবরোধ করায় পুলিশ তাদের সরে যাওয়ার
নির্দেশ দেয়। রাস্তা পরিষ্কার না করলে বিক্ষোভকারীদের আটকের হুমকি দেওয়া হয়। তবে বিক্ষোভকারীরা
সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে অনড় অবস্থানে থাকলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ
শুরু হয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কঠোর
অবস্থানে যায়। এ সময় আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে কমপক্ষে ১০০ জন বিক্ষোভকারীকে
আটক করে নিউইয়র্ক পুলিশ।
মার্কিন প্রশাসনের ইসরায়েল নীতি নিয়ে দেশটির ভেতরে সাধারণ
মানুষের মধ্যে যে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে, এই বিক্ষোভকে তারই একটি বড় প্রতিফলন
হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন