ডেঙ্গু এখন আর কেবল বর্ষা মৌসুমের রোগ নয়। বছরজুড়েই এর প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। গত রোববার দেশে ৩৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার আগেই এত মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৪৮ জন। ডেঙ্গু রোগে এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন চারজন। গত বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজারের বেশি মানুষ। ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছিলেন ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল আরও বেশি। সে বছর ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেল ৫৭৫ জন। এই পরিসংখ্যান থেকে ধারণা করা যায় যে, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
উদ্বেগের আরেকটি দিক হলো ডেঙ্গু রোগের বিস্তার। সাম্প্রতিক সময়ে শুধু ঢাকা নয়, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগেও রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে বোঝা যায়, ডেঙ্গু এখন কেবল রাজধানী বড় নগরের সমস্যা নয়, সারা দেশের সমস্যা।
মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর কার্যকর ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। প্রতি বছর মৌসুম শুরু হলে মশা নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা বাড়ে। মৌসুম শেষে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ স্তিমিত হয়ে পড়ে। এই চক্র ভাঙতে না পারলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই সতর্ক হতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকদেরও ভূমিকা আছে। বিশেষকরে এডিস মশার প্রজনন বন্ধে নাগরিকদের সচেতনতার বিকল্প নেই। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা দূরূহ।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ডেঙ্গু এখন আর কেবল বর্ষা মৌসুমের রোগ নয়। বছরজুড়েই এর প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। গত রোববার দেশে ৩৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার আগেই এত মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৪৮ জন। ডেঙ্গু রোগে এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন চারজন। গত বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজারের বেশি মানুষ। ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছিলেন ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল আরও বেশি। সে বছর ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেল ৫৭৫ জন। এই পরিসংখ্যান থেকে ধারণা করা যায় যে, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
উদ্বেগের আরেকটি দিক হলো ডেঙ্গু রোগের বিস্তার। সাম্প্রতিক সময়ে শুধু ঢাকা নয়, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগেও রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে বোঝা যায়, ডেঙ্গু এখন কেবল রাজধানী বড় নগরের সমস্যা নয়, সারা দেশের সমস্যা।
মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর কার্যকর ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। প্রতি বছর মৌসুম শুরু হলে মশা নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা বাড়ে। মৌসুম শেষে মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ স্তিমিত হয়ে পড়ে। এই চক্র ভাঙতে না পারলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই সতর্ক হতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকদেরও ভূমিকা আছে। বিশেষকরে এডিস মশার প্রজনন বন্ধে নাগরিকদের সচেতনতার বিকল্প নেই। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা দূরূহ।

আপনার মতামত লিখুন