সংবাদ

গোবিন্দগঞ্জে হঠাৎ বৃষ্টিতে বড় ক্ষতির মুখে আলুচাষিরা


প্রতিনিধি, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

গোবিন্দগঞ্জে হঠাৎ বৃষ্টিতে বড় ক্ষতির মুখে আলুচাষিরা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আকস্মিক ভারি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকার আলুক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টার এ বর্ষণে উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকার নিচু জমিতে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে যায়। এতে ফসলহানির আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিনে ও স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে আলুর ফলন ভালো হয়েছে। অনেক কৃষক জমি থেকে আলু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারই মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিতে রাতারাতি তাদের স্বপ্নের ফসল পানির নিচে চলে যায়। পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা না গেলে জমিতেই আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অথবা মহাজনের কাছ থেকে ধার করে আলু চাষ করেছেন। ফসল নষ্ট হলে শুধু যে তাদের সারা মৌসুমের পরিশ্রম ও মূলধন দুটোই ডুববে তাই নয়, ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে তাদের সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়বে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকরা জরুরি ভিত্তিতে জমি থেকে পানি সরানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের  বক্তব্য, এ মুহূর্তে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে না পারলে মাঠে দাঁড়িয়েই পচে যাবে তাদের আলু, যা দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের জন্য চরম আঘাত হয়ে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


গোবিন্দগঞ্জে হঠাৎ বৃষ্টিতে বড় ক্ষতির মুখে আলুচাষিরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আকস্মিক ভারি বর্ষণে বিস্তীর্ণ এলাকার আলুক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টার এ বর্ষণে উপজেলার শাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকার নিচু জমিতে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে যায়। এতে ফসলহানির আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিনে ও স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে আলুর ফলন ভালো হয়েছে। অনেক কৃষক জমি থেকে আলু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারই মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিতে রাতারাতি তাদের স্বপ্নের ফসল পানির নিচে চলে যায়। পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা না গেলে জমিতেই আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, তাদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অথবা মহাজনের কাছ থেকে ধার করে আলু চাষ করেছেন। ফসল নষ্ট হলে শুধু যে তাদের সারা মৌসুমের পরিশ্রম ও মূলধন দুটোই ডুববে তাই নয়, ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে তাদের সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়বে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকরা জরুরি ভিত্তিতে জমি থেকে পানি সরানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের  বক্তব্য, এ মুহূর্তে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে না পারলে মাঠে দাঁড়িয়েই পচে যাবে তাদের আলু, যা দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের জন্য চরম আঘাত হয়ে আসবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত