রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পাষণ্ড বাবার হাতে তিন বছরের অবোধ শিশু হাবিবুল্লাহ হাবিব খুনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোরে বড় বেড়াইদ এলাকার ঋষিপাড়া থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘাতক পিতা শাহীনকে আটক করা হয়েছে।
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন রিকশাচালক শাহীন। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহীন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা শিল্পী খাতুন ওষুধ কেনার জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে ঘরে একা থাকা শিশু হাবিবুল্লাহকে তার বাবা শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে বাড়ির মালিক জুলহাস জানান, শিল্পী খাতুন ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে স্থানীয়দের চাপে শাহীন দরজা খুলে দিলে সবাই ভেতরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় উপস্থিত জনতা অভিযুক্ত শাহীনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে জুলহাস মিয়ার বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের সাথে কথা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মাদকাসক্ত বাবা তার সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘাতক পিতাকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহত শিশুটির গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাসিরাকান্দি এলাকায়।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পাষণ্ড বাবার হাতে তিন বছরের অবোধ শিশু হাবিবুল্লাহ হাবিব খুনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোরে বড় বেড়াইদ এলাকার ঋষিপাড়া থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘাতক পিতা শাহীনকে আটক করা হয়েছে।
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন রিকশাচালক শাহীন। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহীন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা শিল্পী খাতুন ওষুধ কেনার জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে ঘরে একা থাকা শিশু হাবিবুল্লাহকে তার বাবা শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে বাড়ির মালিক জুলহাস জানান, শিল্পী খাতুন ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে স্থানীয়দের চাপে শাহীন দরজা খুলে দিলে সবাই ভেতরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় উপস্থিত জনতা অভিযুক্ত শাহীনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে জুলহাস মিয়ার বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের সাথে কথা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মাদকাসক্ত বাবা তার সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘাতক পিতাকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহত শিশুটির গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাসিরাকান্দি এলাকায়।

আপনার মতামত লিখুন