গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন এবং দেশের চলমান
বহুমুখী সংকট নিরসনের দাবিতে
রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত
তিন মাসব্যাপী রাজপথের টানা কর্মসূচি ঘোষণা
করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী
মে, জুন ও জুলাই
মাসজুড়ে দেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং আন্দোলনের
চূড়ান্ত পর্যায়ে আগামী ৫ আগস্ট ঢাকা
অভিমুখে বিশাল গণমিছিল করবে দলটি।
শুক্রবার
বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এক বিশাল গণসমাবেশ
থেকে এই নতুন কর্মসূচি
ঘোষণা করেন বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল
হক। গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর
করার দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব
করেন তিনি। মাওলানা মামুনুল হক তার বক্তব্যে
হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের
আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এখন
সময়ের দাবি। এই দাবি আদায়ে
রাজপথ ছাড়বে না খেলাফত মজলিস।
সমাবেশে
সংহতি প্রকাশ করে বিশেষ অতিথির
বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয়
নেতা ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, দেশের মানুষ তাদের অধিকার আদায়ে আজ ঐক্যবদ্ধ। গণভোটের
রায়কে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার
কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের
চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম
তার বক্তব্যে বলেন, ছাত্র-জনতা যে পরিবর্তনের
সূচনা করেছে, তার পূর্ণতা আসবে
কেবল গণভোটের রায়ের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
এলডিপি
চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন, সংকট
নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে রাজপথের
আন্দোলন আরও তীব্র হবে।
এবি
পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান জানানোই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
সমাবেশে
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ,
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং লেবার পার্টির
চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি
কড়া বার্তা দেন।
জাগপা
মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক
কায়েম এবং ইনকিলাব মঞ্চের
সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ তরুণ
প্রজন্মের প্রতিনিধিরা সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্টের গণমিছিল
হবে জনগণের অধিকার আদায়ের চূড়ান্ত সংগ্রাম।
মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদসহ
উলামায়ে কেরাম ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ
অবিলম্বে সকল দাবি মেনে
নেয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশ শেষে মামুনুল হক
৩ মাসের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করে নেতা-কর্মীদের
সুশৃঙ্খলভাবে রাজপথে থাকার নির্দেশ দেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন এবং দেশের চলমান
বহুমুখী সংকট নিরসনের দাবিতে
রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত
তিন মাসব্যাপী রাজপথের টানা কর্মসূচি ঘোষণা
করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী
মে, জুন ও জুলাই
মাসজুড়ে দেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং আন্দোলনের
চূড়ান্ত পর্যায়ে আগামী ৫ আগস্ট ঢাকা
অভিমুখে বিশাল গণমিছিল করবে দলটি।
শুক্রবার
বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এক বিশাল গণসমাবেশ
থেকে এই নতুন কর্মসূচি
ঘোষণা করেন বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল
হক। গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর
করার দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব
করেন তিনি। মাওলানা মামুনুল হক তার বক্তব্যে
হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের
আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এখন
সময়ের দাবি। এই দাবি আদায়ে
রাজপথ ছাড়বে না খেলাফত মজলিস।
সমাবেশে
সংহতি প্রকাশ করে বিশেষ অতিথির
বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয়
নেতা ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, দেশের মানুষ তাদের অধিকার আদায়ে আজ ঐক্যবদ্ধ। গণভোটের
রায়কে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার
কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের
চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম
তার বক্তব্যে বলেন, ছাত্র-জনতা যে পরিবর্তনের
সূচনা করেছে, তার পূর্ণতা আসবে
কেবল গণভোটের রায়ের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
এলডিপি
চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন, সংকট
নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে রাজপথের
আন্দোলন আরও তীব্র হবে।
এবি
পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান জানানোই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
সমাবেশে
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ,
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং লেবার পার্টির
চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি
কড়া বার্তা দেন।
জাগপা
মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক
কায়েম এবং ইনকিলাব মঞ্চের
সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ তরুণ
প্রজন্মের প্রতিনিধিরা সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্টের গণমিছিল
হবে জনগণের অধিকার আদায়ের চূড়ান্ত সংগ্রাম।
মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদসহ
উলামায়ে কেরাম ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ
অবিলম্বে সকল দাবি মেনে
নেয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশ শেষে মামুনুল হক
৩ মাসের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করে নেতা-কর্মীদের
সুশৃঙ্খলভাবে রাজপথে থাকার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন