জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বুধবার এক বক্তব্যে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। আগের দিনের বক্তব্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে গিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ধরনের শুল্কমুক্ত বা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ির প্রতি তার বিন্দুমাত্র মোহ নেই। বরং তিনি চেয়েছিলেন অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের মতো দায়িত্ব পালনকালীন ব্যবহারের জন্য একটি সরকারি গাড়ি।
তিনি
ক্ষোভের সাথে জানান, গাড়ি
রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংসদ থেকে
৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া
হলেও বাস্তবে তাদের কোনো ব্যবহারের গাড়িই
নেই।
সংসদে
দাঁড়িয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ট্যাক্স-ফ্রি
গাড়ি নেব না। বিভিন্নভাবে
এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো
হয়েছে। আমি মূলত সরকারি
গাড়ি চেয়েছিলাম। যতদিন এমপি থাকবো ততদিন
গাড়ি থাকবে, সংসদ সদস্য পদ
চলে গেলে গাড়িও থাকবে
না। অথচ বর্তমানে অদ্ভুত
এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গাড়ি
রক্ষণাবেক্ষণে আমাদের ৭০ হাজার টাকা
দেওয়া হয় কিন্তু আদতে
আমাদের কোনো গাড়িই নেই।
মঙ্গলবার
তার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে যে বিতর্ক
তৈরি হয়েছিল, সে প্রসঙ্গে তিনি
বলেন, গতকালের বক্তব্যে আমি কোনো ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি চাইনি।
সংসদের পুরো হাউজ ঐক্যবদ্ধ
যে কেউ ট্যাক্স-ফ্রি
গাড়ি ও প্লট নেবে
না। এই বিষয়ে প্রতিটি
এমপি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
যেহেতু বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি
করা হয়েছে, তাই আমি আজ
আবারও বিষয়টি পরিষ্কার করছি।
নিজের
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি জনস্বার্থ ও
নৈতিকতার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন,
আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো বাড়তি বিলাসিতা
বা স্থায়ী সম্পদ চাই না। আমি
আবারও বলছি, ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা
প্লটের সুবিধা চাই না। সরকারের
অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যেভাবে গাড়ি সুবিধা পান,
আমরাও ঠিক তেমনটিই চাই।
যতদিন এমপি পদে দায়িত্ব
পালন করব, ততদিন সেই
গাড়ি আমাদের ব্যবহারের জন্য থাকবে। সংসদ
সদস্য পদ শেষ হওয়ার
সাথে সাথে গাড়ির সুবিধাও
শেষ হয়ে যাবে। মূলত
স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই আমরা
শুল্কমুক্ত গাড়ির চেয়ে সরকারি মালিকানাধীন
গাড়ির ওপর জোর দিচ্ছি।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বুধবার এক বক্তব্যে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। আগের দিনের বক্তব্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে গিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ধরনের শুল্কমুক্ত বা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ির প্রতি তার বিন্দুমাত্র মোহ নেই। বরং তিনি চেয়েছিলেন অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের মতো দায়িত্ব পালনকালীন ব্যবহারের জন্য একটি সরকারি গাড়ি।
তিনি
ক্ষোভের সাথে জানান, গাড়ি
রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংসদ থেকে
৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া
হলেও বাস্তবে তাদের কোনো ব্যবহারের গাড়িই
নেই।
সংসদে
দাঁড়িয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ট্যাক্স-ফ্রি
গাড়ি নেব না। বিভিন্নভাবে
এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো
হয়েছে। আমি মূলত সরকারি
গাড়ি চেয়েছিলাম। যতদিন এমপি থাকবো ততদিন
গাড়ি থাকবে, সংসদ সদস্য পদ
চলে গেলে গাড়িও থাকবে
না। অথচ বর্তমানে অদ্ভুত
এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গাড়ি
রক্ষণাবেক্ষণে আমাদের ৭০ হাজার টাকা
দেওয়া হয় কিন্তু আদতে
আমাদের কোনো গাড়িই নেই।
মঙ্গলবার
তার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে যে বিতর্ক
তৈরি হয়েছিল, সে প্রসঙ্গে তিনি
বলেন, গতকালের বক্তব্যে আমি কোনো ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি চাইনি।
সংসদের পুরো হাউজ ঐক্যবদ্ধ
যে কেউ ট্যাক্স-ফ্রি
গাড়ি ও প্লট নেবে
না। এই বিষয়ে প্রতিটি
এমপি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
যেহেতু বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি
করা হয়েছে, তাই আমি আজ
আবারও বিষয়টি পরিষ্কার করছি।
নিজের
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি জনস্বার্থ ও
নৈতিকতার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন,
আমরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো বাড়তি বিলাসিতা
বা স্থায়ী সম্পদ চাই না। আমি
আবারও বলছি, ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা
প্লটের সুবিধা চাই না। সরকারের
অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যেভাবে গাড়ি সুবিধা পান,
আমরাও ঠিক তেমনটিই চাই।
যতদিন এমপি পদে দায়িত্ব
পালন করব, ততদিন সেই
গাড়ি আমাদের ব্যবহারের জন্য থাকবে। সংসদ
সদস্য পদ শেষ হওয়ার
সাথে সাথে গাড়ির সুবিধাও
শেষ হয়ে যাবে। মূলত
স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই আমরা
শুল্কমুক্ত গাড়ির চেয়ে সরকারি মালিকানাধীন
গাড়ির ওপর জোর দিচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন