সংবাদ

ঝুলে আছে একজনের ভাগ্য

জামায়াতের সংরক্ষিত আসনের ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

জামায়াতের সংরক্ষিত আসনের ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে সরকারি চাকরি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে গেছে মনিরা শারমিন নামের এক প্রার্থীর ভাগ্য।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এর ফলে জামায়াত জোটের অধিকাংশ প্রার্থীর সংসদ সদস্য হওয়ার পথ সুগম হলেও একজনের বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন যাদের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দিয়েছে, তারা হলেন: নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু এবং তাসমিয়া প্রধান।

রিটার্নিং অফিসার জানান, এই ১২ জন প্রার্থীর কাগজপত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি এবং তারা আইন অনুযায়ী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য। তবে মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে সরকারি আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কিছু জটিলতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মনিরা শারমিন এর আগে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন। তিনি গত বছরের শেষ দিকে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর নিয়মানুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এই আইনি মারপ্যাঁচের কারণেই তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র আমরা বৈধ ঘোষণা করেছি। তবে মনিরা শারমিনের সরকারি চাকরির একটি বিষয় সামনে আসায় তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুনানি আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে প্রার্থী যদি তার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজপত্র জমা দিতে পারেন, তবে তা বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আপাতত বিষয়টি আইনি পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


জামায়াতের সংরক্ষিত আসনের ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে সরকারি চাকরি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে গেছে মনিরা শারমিন নামের এক প্রার্থীর ভাগ্য।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এর ফলে জামায়াত জোটের অধিকাংশ প্রার্থীর সংসদ সদস্য হওয়ার পথ সুগম হলেও একজনের বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন যাদের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দিয়েছে, তারা হলেন: নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু এবং তাসমিয়া প্রধান।

রিটার্নিং অফিসার জানান, এই ১২ জন প্রার্থীর কাগজপত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি এবং তারা আইন অনুযায়ী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য। তবে মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে সরকারি আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কিছু জটিলতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মনিরা শারমিন এর আগে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন। তিনি গত বছরের শেষ দিকে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর নিয়মানুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এই আইনি মারপ্যাঁচের কারণেই তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে।

মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র আমরা বৈধ ঘোষণা করেছি। তবে মনিরা শারমিনের সরকারি চাকরির একটি বিষয় সামনে আসায় তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুনানি আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে প্রার্থী যদি তার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজপত্র জমা দিতে পারেন, তবে তা বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আপাতত বিষয়টি আইনি পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত