জাতীয় সংসদে এস আলম গ্রুপের ঋণ নিয়ে সরাসরি অর্থমন্ত্রীর দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি আর্থিক খাতের চলমান সংকট এবং বড় বড় গ্রুপগুলোর ঋণখেলাপির বিষয়টি সামনে আনেন।
হাসনাত
আবদুল্লাহ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চান,
বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণ পরিশোধ না
করা সত্ত্বেও এস আলম গ্রুপকে
পুনরায় পুনর্বহাল করা হচ্ছে কি
না। তিনি সরাসরি প্রশ্ন
করেন, “সরকারের সঙ্গে কি এস আলম
গ্রুপের সমঝোতা হয়েছে?”
সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে দেশের
ব্যাংকিং খাতের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি
তথ্য দিয়ে জানান, ইসলামী
ব্যাংক বর্তমানে ৯২ হাজার ১১৫
কোটি টাকা ঋণের ধারক।
এর মধ্যে এস আলম গ্রুপ
একাই ৮০ হাজার কোটি
টাকার ঋণখেলাপি। শুধু এস আলম
গ্রুপই নয়, জনতা ব্যাংক
থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের ২৫ হাজার কোটি
টাকা ঋণখেলাপির বিষয়টিও তিনি অধিবেশনে উল্লেখ
করেন।
এত বিপুল পরিমাণ জনগনের টাকা আটকে থাকায়
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,
ঋণ পরিশোধ না করেই এই
গ্রুপগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না তা
স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বক্তব্যের
শেষ পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের দাবি
জানান। তিনি অর্থমন্ত্রীর কাছে
জানতে চান, এই বিশাল
অংকের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে সরকারের
পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট
বা কার্যকর পরিকল্পনা আছে কি না।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে এস আলম গ্রুপের ঋণ নিয়ে সরাসরি অর্থমন্ত্রীর দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি আর্থিক খাতের চলমান সংকট এবং বড় বড় গ্রুপগুলোর ঋণখেলাপির বিষয়টি সামনে আনেন।
হাসনাত
আবদুল্লাহ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চান,
বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণ পরিশোধ না
করা সত্ত্বেও এস আলম গ্রুপকে
পুনরায় পুনর্বহাল করা হচ্ছে কি
না। তিনি সরাসরি প্রশ্ন
করেন, “সরকারের সঙ্গে কি এস আলম
গ্রুপের সমঝোতা হয়েছে?”
সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে দেশের
ব্যাংকিং খাতের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি
তথ্য দিয়ে জানান, ইসলামী
ব্যাংক বর্তমানে ৯২ হাজার ১১৫
কোটি টাকা ঋণের ধারক।
এর মধ্যে এস আলম গ্রুপ
একাই ৮০ হাজার কোটি
টাকার ঋণখেলাপি। শুধু এস আলম
গ্রুপই নয়, জনতা ব্যাংক
থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের ২৫ হাজার কোটি
টাকা ঋণখেলাপির বিষয়টিও তিনি অধিবেশনে উল্লেখ
করেন।
এত বিপুল পরিমাণ জনগনের টাকা আটকে থাকায়
ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,
ঋণ পরিশোধ না করেই এই
গ্রুপগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি না তা
স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বক্তব্যের
শেষ পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের দাবি
জানান। তিনি অর্থমন্ত্রীর কাছে
জানতে চান, এই বিশাল
অংকের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে সরকারের
পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট
বা কার্যকর পরিকল্পনা আছে কি না।

আপনার মতামত লিখুন