বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সরাসরি ‘দলদাস’ অভিহিত করে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বর্তমান কমিশনারদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বুধবার
বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি
কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেন।
সারজিস
আলম তার বক্তব্যে দুই
নারী প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মনিরা
শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত
তাবাসসুম কোনো কারণে নির্ধারিত
সময়ের ১৯ মিনিট পর
ফরম জমা দিয়েছে বলে
তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি
আসনের উপ-নির্বাচনে যখন দিনে-দুপুরে ভোট
চুরি হলো, ব্যালটে সিল
মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল
করা হলো তখন এই
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্য
কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে
ছিলেন।
কমিশনকে
অতীতের শিক্ষা মনে করিয়ে দিয়ে
সারজিস বলেন, এরা যেন সাবেক
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা
পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখেন। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর
পরিণতি এই দলদাসদের হবে।
তিনি
আরও অভিযোগ করেন, জনগণের চার হাজার কোটি
টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপিদের তারেক
রহমান মনোনয়ন দেন। সেই ব্যাংক
লুটেরাদের এই নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন করতে দিয়েছে। তারা
এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে।
নির্বাচন
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
এই সমন্বয়ক দাবি করেন, তখন
এই নির্বাচন কমিশন তাদের নিয়ম দেখাতে পারেনি
কারণ তাদের সেই মেরুদণ্ডটা নেই।
ক্ষমতা আর দলের কাছে
নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বেঁচে দিয়ে তারা এখনো
নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে
এবং প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদের সন্তুষ্ট
করে যাচ্ছে।
সবশেষে
তিনি কঠোর ভাষায় মন্তব্য
করেন যে, নির্বাচন কমিশনের
সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন থেকে হয় না,
হয় গুলশান থেকে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সরাসরি ‘দলদাস’ অভিহিত করে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বর্তমান কমিশনারদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বুধবার
বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি
কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেন।
সারজিস
আলম তার বক্তব্যে দুই
নারী প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মনিরা
শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত
তাবাসসুম কোনো কারণে নির্ধারিত
সময়ের ১৯ মিনিট পর
ফরম জমা দিয়েছে বলে
তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি
আসনের উপ-নির্বাচনে যখন দিনে-দুপুরে ভোট
চুরি হলো, ব্যালটে সিল
মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল
করা হলো তখন এই
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্য
কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে
ছিলেন।
কমিশনকে
অতীতের শিক্ষা মনে করিয়ে দিয়ে
সারজিস বলেন, এরা যেন সাবেক
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা
পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখেন। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর
পরিণতি এই দলদাসদের হবে।
তিনি
আরও অভিযোগ করেন, জনগণের চার হাজার কোটি
টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপিদের তারেক
রহমান মনোনয়ন দেন। সেই ব্যাংক
লুটেরাদের এই নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন করতে দিয়েছে। তারা
এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে।
নির্বাচন
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
এই সমন্বয়ক দাবি করেন, তখন
এই নির্বাচন কমিশন তাদের নিয়ম দেখাতে পারেনি
কারণ তাদের সেই মেরুদণ্ডটা নেই।
ক্ষমতা আর দলের কাছে
নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বেঁচে দিয়ে তারা এখনো
নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে
এবং প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদের সন্তুষ্ট
করে যাচ্ছে।
সবশেষে
তিনি কঠোর ভাষায় মন্তব্য
করেন যে, নির্বাচন কমিশনের
সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন থেকে হয় না,
হয় গুলশান থেকে।

আপনার মতামত লিখুন