খুলনার তেরখাদায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। নিহতের নাম নুর আলম (৫৬)। তিনি তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা ইকরাম শেখের ছেলে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তেরখাদা উপজেলার ৬ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নের মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে এ ঘটনা ঘটে।তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুলের অনুসারী ও মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল মোড়লের অনুসারীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে সাইফুলের অনুসারী নূর আলম শেখ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে হিজমুল্লাহ সোহেল রানা (৪০), মুসা শেখ (৩০), মফিজুর রহমান (৪৫) ও আলী হুসাইনকে (৩০) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শহিদুল ও সাইফুলের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের। পূর্বের বিরোধের জেরেই সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুটি পক্ষ। তারা উভয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাতটায় ধান কাটতে বিলে যাচ্ছিলেন মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুলের লোকজন। মাঠে পৌঁছানোর আগেই তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলামের লোজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় তাদের। পরে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। মধুপুরের বিলে দুজনের ধানক্ষেত আছে।
এ ব্যাপারে জানতে অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম ও সাইফুল মোড়লের মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু বলেন, মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষ দল ব্যবস্থা নেবে।”

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
খুলনার তেরখাদায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। নিহতের নাম নুর আলম (৫৬)। তিনি তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা ইকরাম শেখের ছেলে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তেরখাদা উপজেলার ৬ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নের মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে এ ঘটনা ঘটে।তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুলের অনুসারী ও মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল মোড়লের অনুসারীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে সাইফুলের অনুসারী নূর আলম শেখ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে হিজমুল্লাহ সোহেল রানা (৪০), মুসা শেখ (৩০), মফিজুর রহমান (৪৫) ও আলী হুসাইনকে (৩০) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শহিদুল ও সাইফুলের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের। পূর্বের বিরোধের জেরেই সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুটি পক্ষ। তারা উভয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাতটায় ধান কাটতে বিলে যাচ্ছিলেন মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুলের লোকজন। মাঠে পৌঁছানোর আগেই তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলামের লোজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় তাদের। পরে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। মধুপুরের বিলে দুজনের ধানক্ষেত আছে।
এ ব্যাপারে জানতে অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম ও সাইফুল মোড়লের মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু বলেন, মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষ দল ব্যবস্থা নেবে।”

আপনার মতামত লিখুন