সংবাদ

সংকটে হাওরাঞ্চলের কৃষি


মিহির কুমার রায়
মিহির কুমার রায়
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম

সংকটে  হাওরাঞ্চলের কৃষি
হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জীবন-জীবিকার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ধান চাষ


হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জীবন-জীবিকার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ধান চাষ। ফসল রক্ষা করতে না পারা মানে হাওরের কৃষকদের জীবন-জীবিকার চরম অনিশ্চয়তা। বৃষ্টির পানিতে ফসল তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি হাওরে এবার বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যার কিছুটা প্রাকৃতিক, আর বাকি অংশ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সামঞ্জস্যের অভাবজনিত। হাওরের পরিকল্পনাগত সমস্যাগুলো চাইলে সমাধান করা যায়। হাওরের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এমন যে এখানে সবসময় পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হয়। কৃষি অর্থনীতির সম্ভাবনা বিবেচনায় হাওর শাসন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংবেদনশীলতা জরুরি।

প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে হাওরের কৃষকদের বরাবরই নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির মৌসুমে সংকট তীব্র হয়, কারণ অতিরিক্ত জলাবদ্ধতায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারও বৃষ্টির পানিতে সুনামগঞ্জের অনেক হাওরের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতীতে বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকে বহুবার ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে এবার সমস্যাটি কিছুটা ভিন্ন।

সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলার ৪২টি হাওরের প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়। এই ফসল রক্ষায় প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ভাটির অঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে—বাঁধের জন্য যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দ হয়, তা ধাতব মুদ্রায় রূপান্তর করে বাঁধ দিলে তা ডুববে না। তবুও অধিকাংশ বছরই বাঁধ তলিয়ে যায়। কোনো কোনো বছর ভাগ্য সহায় হলে রক্ষা পায়। হাওর পাড়ের অনেক বাঁধই স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা সম্ভব। বাঁধের ওপর স্থায়ী বসতি ও পর্যটনকেন্দ্রও গড়ে তোলা যেতে পারে।

নেত্রকোণার উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ বৃষ্টির পানি পাহাড়ি ঢল হয়ে জেলার নদ-নদীতে নামছে। ফলে অকাল বন্যার আশঙ্কায় বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কৃষকদের দ্রুত পাকা ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছে। হাওরের জমিতে ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে তা জমিতে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। আগে থেকেই বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা রয়েছে, তার ওপর উজানের ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এদিকে নেত্রকোণার অনেক হাওড়ে পানি থাকায় ক¤^াইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটতে সমস্যা হচ্ছে। শ্রমিক সংকটও রয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, পানি বাড়তে থাকলে ২০১৭ সালের মতো অকাল বন্যায় ফসল হারাতে হতে পারে।

স্থানীয় কৃষক, উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলার খালিয়াজুরি, মোহনগঞ্জ, মদন ও কলমাকান্দা আংশিক হাওরাঞ্চল। এখানে একমাত্র বোরো ফসলের ওপরই নির্ভর করে কৃষকদের সারা বছরের সংসার ব্যয়, চিকিৎসা, শিক্ষা ও সামাজিক অনুষ্ঠান। জেলায় ১৩৪টি হাওরের মধ্যে খালিয়াজুরিতে রয়েছে ৮৯টি। আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষায় এ বছর ১৩৮ কিলোমিটার অস্থায়ী (ডুবন্ত) বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি টাকা, যা প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা ও শুকানোর ব্যস্ততা চলছে। আগাম বন্যা ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় পহেলা বৈশাখ থেকেই কৃষকরা ধান ঘরে তোলা শুরু করেছেন। ব্রি-২৮, ব্রি-৮৮ ও ব্রি-৯৮ জাতের ধান কাটা হচ্ছে। কিষান-কিষানিরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তবে এ সময়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কিনতে ভিড় করছেন। ফলে অনেক কৃষক উৎপাদনমূল্যের নিচে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান কেনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কিশোরগঞ্জ জেলায় এ বছর ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ২০৯ টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত হাওরাঞ্চলের প্রায় ১২ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাওরের কৃষকদের শুধু প্রকৃতিনির্ভর না থেকে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। যেমন—হাওর পাড়ের বাঁধ স্থায়ীভাবে নির্মাণ, নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি। পাশাপাশি সরকারকে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

আসন্ন বাজেটে হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা জরুরি। পলি জমে জলাশয় ভরাট হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই প্লাবনের ঝুঁকি বাড়ছে—ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন। পানি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ সমন্বিতভাবে নেয়া দরকার, যাতে সহায়তা বণ্টনে কোনো অসংগতি না থাকে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে বিকল্প কর্মসংস্থান—যেমন নৌযানভিত্তিক পরিবহন, কুটির শিল্প, হাঁস পালন ইত্যাদি—গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সমন্বিত পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই হাওরাঞ্চলের এই দীর্ঘদিনের সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।

[লেখক: সাবেক ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


সংকটে হাওরাঞ্চলের কৃষি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জীবন-জীবিকার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ধান চাষ। ফসল রক্ষা করতে না পারা মানে হাওরের কৃষকদের জীবন-জীবিকার চরম অনিশ্চয়তা। বৃষ্টির পানিতে ফসল তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি হাওরে এবার বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যার কিছুটা প্রাকৃতিক, আর বাকি অংশ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সামঞ্জস্যের অভাবজনিত। হাওরের পরিকল্পনাগত সমস্যাগুলো চাইলে সমাধান করা যায়। হাওরের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এমন যে এখানে সবসময় পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হয়। কৃষি অর্থনীতির সম্ভাবনা বিবেচনায় হাওর শাসন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংবেদনশীলতা জরুরি।

প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে হাওরের কৃষকদের বরাবরই নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির মৌসুমে সংকট তীব্র হয়, কারণ অতিরিক্ত জলাবদ্ধতায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারও বৃষ্টির পানিতে সুনামগঞ্জের অনেক হাওরের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতীতে বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকে বহুবার ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে এবার সমস্যাটি কিছুটা ভিন্ন।

সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলার ৪২টি হাওরের প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়। এই ফসল রক্ষায় প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ভাটির অঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে—বাঁধের জন্য যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দ হয়, তা ধাতব মুদ্রায় রূপান্তর করে বাঁধ দিলে তা ডুববে না। তবুও অধিকাংশ বছরই বাঁধ তলিয়ে যায়। কোনো কোনো বছর ভাগ্য সহায় হলে রক্ষা পায়। হাওর পাড়ের অনেক বাঁধই স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা সম্ভব। বাঁধের ওপর স্থায়ী বসতি ও পর্যটনকেন্দ্রও গড়ে তোলা যেতে পারে।

নেত্রকোণার উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ বৃষ্টির পানি পাহাড়ি ঢল হয়ে জেলার নদ-নদীতে নামছে। ফলে অকাল বন্যার আশঙ্কায় বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কৃষকদের দ্রুত পাকা ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছে। হাওরের জমিতে ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে তা জমিতে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। আগে থেকেই বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা রয়েছে, তার ওপর উজানের ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এদিকে নেত্রকোণার অনেক হাওড়ে পানি থাকায় ক¤^াইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটতে সমস্যা হচ্ছে। শ্রমিক সংকটও রয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, পানি বাড়তে থাকলে ২০১৭ সালের মতো অকাল বন্যায় ফসল হারাতে হতে পারে।

স্থানীয় কৃষক, উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলার খালিয়াজুরি, মোহনগঞ্জ, মদন ও কলমাকান্দা আংশিক হাওরাঞ্চল। এখানে একমাত্র বোরো ফসলের ওপরই নির্ভর করে কৃষকদের সারা বছরের সংসার ব্যয়, চিকিৎসা, শিক্ষা ও সামাজিক অনুষ্ঠান। জেলায় ১৩৪টি হাওরের মধ্যে খালিয়াজুরিতে রয়েছে ৮৯টি। আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষায় এ বছর ১৩৮ কিলোমিটার অস্থায়ী (ডুবন্ত) বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি টাকা, যা প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা ও শুকানোর ব্যস্ততা চলছে। আগাম বন্যা ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় পহেলা বৈশাখ থেকেই কৃষকরা ধান ঘরে তোলা শুরু করেছেন। ব্রি-২৮, ব্রি-৮৮ ও ব্রি-৯৮ জাতের ধান কাটা হচ্ছে। কিষান-কিষানিরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তবে এ সময়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কিনতে ভিড় করছেন। ফলে অনেক কৃষক উৎপাদনমূল্যের নিচে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান কেনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কিশোরগঞ্জ জেলায় এ বছর ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ২০৯ টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত হাওরাঞ্চলের প্রায় ১২ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাওরের কৃষকদের শুধু প্রকৃতিনির্ভর না থেকে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। যেমন—হাওর পাড়ের বাঁধ স্থায়ীভাবে নির্মাণ, নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি। পাশাপাশি সরকারকে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

আসন্ন বাজেটে হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা জরুরি। পলি জমে জলাশয় ভরাট হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই প্লাবনের ঝুঁকি বাড়ছে—ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন। পানি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ সমন্বিতভাবে নেয়া দরকার, যাতে সহায়তা বণ্টনে কোনো অসংগতি না থাকে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে বিকল্প কর্মসংস্থান—যেমন নৌযানভিত্তিক পরিবহন, কুটির শিল্প, হাঁস পালন ইত্যাদি—গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সমন্বিত পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই হাওরাঞ্চলের এই দীর্ঘদিনের সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।

[লেখক: সাবেক ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত