শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় ব্যয়ের চেয়ে মানুষের জানমাল ও বসতি রক্ষা করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় কত টাকা ব্যয় হলো সেটি বড় বিষয় নয়, বরং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
শনিবার
বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতুর ডান তীর রক্ষা
বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা
বলেন।
পরিদর্শনকালে
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান চান না আগামী
বর্ষা মৌসুমে শরীয়তপুরে আর একটি ঘরও
নদীগর্ভে বিলীন হোক। এলাকার মানুষের
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপত্তার
বিষয়টি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ
নির্দেশনায় আগামীকাল থেকেই এখানে ভাঙন রোধে কাজ
শুরু হতে পারে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, অবহেলিত শরীয়তপুর জেলাকে একটি আধুনিক জেলায়
রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার
বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে শরীয়তপুরের উন্নয়নমূলক কাজগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে
পদ্মা ও মেঘনা নদীর
ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
এ সময় জাতীয় সংসদের
হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ
অপু ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করে বলেন, শরীয়তপুরের
মানুষের জানমাল রক্ষায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অত্যন্ত টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ
নির্মাণ করা হবে। কোনো
ধরনের গাফিলতি ছাড়াই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাঁধের
কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন
তিনি।
পরিদর্শনকালে
প্রতিমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত
ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ
সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম
এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের
নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামানসহ
স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় ব্যয়ের চেয়ে মানুষের জানমাল ও বসতি রক্ষা করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় কত টাকা ব্যয় হলো সেটি বড় বিষয় নয়, বরং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
শনিবার
বিকেলে শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতুর ডান তীর রক্ষা
বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা
বলেন।
পরিদর্শনকালে
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান চান না আগামী
বর্ষা মৌসুমে শরীয়তপুরে আর একটি ঘরও
নদীগর্ভে বিলীন হোক। এলাকার মানুষের
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং নিরাপত্তার
বিষয়টি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ
নির্দেশনায় আগামীকাল থেকেই এখানে ভাঙন রোধে কাজ
শুরু হতে পারে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, অবহেলিত শরীয়তপুর জেলাকে একটি আধুনিক জেলায়
রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার
বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে শরীয়তপুরের উন্নয়নমূলক কাজগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে
পদ্মা ও মেঘনা নদীর
ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
এ সময় জাতীয় সংসদের
হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ
অপু ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বস্ত করে বলেন, শরীয়তপুরের
মানুষের জানমাল রক্ষায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অত্যন্ত টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ
নির্মাণ করা হবে। কোনো
ধরনের গাফিলতি ছাড়াই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাঁধের
কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন
তিনি।
পরিদর্শনকালে
প্রতিমন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত
ছিলেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ
সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ
সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম
এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের
নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামানসহ
স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন