চট্টগ্রামের রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মহাসড়কে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও খাটিয়া রেখে অবরোধ করেছেন গ্রামবাসী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রাউজান পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী মার্কেট এলাকায় চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়।
এ সময় দুপাশে টায়ার জ্বালিয়ে ও পাথর রেখে যান চলাচল বন্ধ করে দেন অবরোধকারীরা। দুই ঘণ্টার বেশি সময়ের এই অবরোধে রাঙামাটিগামী ও চট্টগ্রামগামী শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ গড়িমসি করছে। হত্যাকারীরা নিহতের পরিবারকে আইনের কাছে না যেতে হুমকি দিচ্ছে।
এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সড়ক অবরোধের সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায় গ্রামবাসীদের। তারা পুলিশকে ধাওয়া দেন।
কোনো আশ্বাসে সড়ক ছাড়তে রাজি ছিলেন না বিক্ষোভকারীরা। শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংছিং মারমা এলে শর্ত সাপেক্ষে সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হন তারা।
তাদের দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা। অন্যথায় থানা ঘেরাও করার ঘোষণাও দেন গ্রামবাসী।
এ বিষয়ে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অপরাধীদের ধরতে একাধিক টিম নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমি ছুটিতে থাকলেও ছুটি ফেলে চলে এসেছি। তদন্তের স্বার্থে নাম বলছি না, তবে জড়িতদের শনাক্ত করে কাজ করছি।’
এর আগ শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়ির অদূরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন মো. কাউসার উজ্জামান বাবলু (৩৬)। রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আইলিখীল খামার টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাবলু ওই ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবু নাঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মহাসড়কে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও খাটিয়া রেখে অবরোধ করেছেন গ্রামবাসী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রাউজান পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী মার্কেট এলাকায় চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়।
এ সময় দুপাশে টায়ার জ্বালিয়ে ও পাথর রেখে যান চলাচল বন্ধ করে দেন অবরোধকারীরা। দুই ঘণ্টার বেশি সময়ের এই অবরোধে রাঙামাটিগামী ও চট্টগ্রামগামী শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ গড়িমসি করছে। হত্যাকারীরা নিহতের পরিবারকে আইনের কাছে না যেতে হুমকি দিচ্ছে।
এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সড়ক অবরোধের সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায় গ্রামবাসীদের। তারা পুলিশকে ধাওয়া দেন।
কোনো আশ্বাসে সড়ক ছাড়তে রাজি ছিলেন না বিক্ষোভকারীরা। শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংছিং মারমা এলে শর্ত সাপেক্ষে সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হন তারা।
তাদের দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা। অন্যথায় থানা ঘেরাও করার ঘোষণাও দেন গ্রামবাসী।
এ বিষয়ে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অপরাধীদের ধরতে একাধিক টিম নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমি ছুটিতে থাকলেও ছুটি ফেলে চলে এসেছি। তদন্তের স্বার্থে নাম বলছি না, তবে জড়িতদের শনাক্ত করে কাজ করছি।’
এর আগ শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়ির অদূরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন মো. কাউসার উজ্জামান বাবলু (৩৬)। রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আইলিখীল খামার টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাবলু ওই ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবু নাঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে।

আপনার মতামত লিখুন