দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পথে বিদ্যমান সব ধরনের বাধা দূর করতে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ব্যবসায়ীদের
উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ব্যবসা
সহজ করার ক্ষেত্রে কোথায়
কোথায় বাধা আছে এবং
কোন কারণে ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে, তা
সুনির্দিষ্টভাবে জানান। সেটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
হোক বা অন্য কোনো
সমস্যা, আপনারা আমাদের অবহিত করুন, আমরা আগামী তিন
মাসের মধ্যে তার সমাধান করবো।
বুধবার
রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয়
রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই আয়োজিত
পরামর্শক কমিটির ৪৬তম সভায় তিনি
এসব কথা বলেন।
বর্তমান
অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আসন্ন বাজেটে ব্যবসায়ীদের বড় কোনো কর
ছাড়ের প্রত্যাশায় কিছুটা লাগাম টেনেছেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, এই
কঠিন সময়ে করের ক্ষেত্রে
সুবিধা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বাস্তবতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে তা
সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে
ব্যাপক কর ছাড় দেওয়ার
সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। সরকার মূলত কর আদায়
বাড়াতে চায়, কারণ রাজস্ব
না বাড়লে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো
ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
বন্দর
ব্যবস্থাপনা ও খরচ বৃদ্ধি
নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন,
কেউ কেউ দাবি করেছেন
বন্দরে ৪০ শতাংশ খরচ
বেড়েছে। আমি এর বিরোধিতা
করি এবং এর কোনো
যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। বন্দরে
কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অদক্ষতা থাকলে
তা কঠোরভাবে দূর করা হবে।
একইসাথে
অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ফেরাতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান
কার্ড, ওয়ান ওয়ালেট’ চালুর
উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি
বলেন, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে
সব লেনদেন নজরদারির আওতায় আসবে। ফলে কর ফাঁকি
ও দুর্নীতি উভয়ই হ্রাস পাবে।
প্রকল্পটি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায়
অনুমোদিত হয়েছে।
দেশের
বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী
জানান, আগের সরকারের রেখে
যাওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি
টাকার বকেয়া বর্তমানে অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ
সৃষ্টি করছে।
এনবিআর
চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম
খানসহ বিভিন্ন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা
উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পথে বিদ্যমান সব ধরনের বাধা দূর করতে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ব্যবসায়ীদের
উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ব্যবসা
সহজ করার ক্ষেত্রে কোথায়
কোথায় বাধা আছে এবং
কোন কারণে ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে, তা
সুনির্দিষ্টভাবে জানান। সেটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
হোক বা অন্য কোনো
সমস্যা, আপনারা আমাদের অবহিত করুন, আমরা আগামী তিন
মাসের মধ্যে তার সমাধান করবো।
বুধবার
রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয়
রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই আয়োজিত
পরামর্শক কমিটির ৪৬তম সভায় তিনি
এসব কথা বলেন।
বর্তমান
অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আসন্ন বাজেটে ব্যবসায়ীদের বড় কোনো কর
ছাড়ের প্রত্যাশায় কিছুটা লাগাম টেনেছেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, এই
কঠিন সময়ে করের ক্ষেত্রে
সুবিধা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বাস্তবতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে তা
সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে
ব্যাপক কর ছাড় দেওয়ার
সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। সরকার মূলত কর আদায়
বাড়াতে চায়, কারণ রাজস্ব
না বাড়লে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো
ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
বন্দর
ব্যবস্থাপনা ও খরচ বৃদ্ধি
নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন,
কেউ কেউ দাবি করেছেন
বন্দরে ৪০ শতাংশ খরচ
বেড়েছে। আমি এর বিরোধিতা
করি এবং এর কোনো
যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। বন্দরে
কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অদক্ষতা থাকলে
তা কঠোরভাবে দূর করা হবে।
একইসাথে
অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ফেরাতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান
কার্ড, ওয়ান ওয়ালেট’ চালুর
উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি
বলেন, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে
সব লেনদেন নজরদারির আওতায় আসবে। ফলে কর ফাঁকি
ও দুর্নীতি উভয়ই হ্রাস পাবে।
প্রকল্পটি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায়
অনুমোদিত হয়েছে।
দেশের
বিদ্যুৎ খাতের সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী
জানান, আগের সরকারের রেখে
যাওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি
টাকার বকেয়া বর্তমানে অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ
সৃষ্টি করছে।
এনবিআর
চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম
খানসহ বিভিন্ন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন