যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচন হচ্ছে। সেই সঙ্গে লিমনের রুমমেট প্রধান সন্দেহভাজন হিশাম সালেহ আবুঘরবেহের পরিকল্পনার ‘ভয়ঙ্কর’ দিক উঠে আসছে।
আদালতে জমা দেওয়া প্রসিকিউটরের নথি ও তদন্ত সূত্রে উঠে এসেছে ছককাটা পরিকল্পনার ভয়াবহ এক টাইমলাইন। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই ঘটনার বিস্তারিত ক্রম তুলে ধরা হয়েছে।
৭ ও ১১ এপ্রিল: অ্যামাজনে সন্দেহজনক কেনাকাটার বিষয় উঠে এসেছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ, আবর্জনার ব্যাগ, লাইটার ফুয়েল ও ফায়ার স্টার্টার কেনেন। এই কেনাকাটা ইঙ্গিত দেয়-হত্যার প্রস্তুতি আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল।
১৩ এপ্রিল: চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ‘কালো ব্যাগে লাশ ফেললে কী হয়’? আদালতে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, হিশাম চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করেন, ‘কোনো মানুষকে যদি কালো আবর্জনার ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়, তাহলে কী হতে পারে?’ চ্যাটবট উত্তর দেয়, ‘এটা বিপজ্জনক শোনাচ্ছে।’ জবাবে হিশাম লেখেন, ‘তারা কীভাবে জানতে পারবে?’
১৬ এপ্রিল (শেষবার দেখা ও রাতের ঘটনা): সেদিন বৃষ্টি ও লিমনকে শেষবার দেখা যায়। দিনের মাঝামাঝি ক্যাম্পাসের সিসিটিভিতে ধরা পড়ে বৃষ্টি। সন্ধ্যায় চশমা নিতে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা থাকলেও তিনি সেখানে যাননি, ফোনও ধরেননি।
রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে লিমনের ফোন লোকেশন ধরা পড়ে ক্লিয়ারওয়াটারে- তার বাসা থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে হিশামের সাদা হুন্ডাই জেনেসিস জিএস৮০ গাড়িও একই জায়গায় দেখা যায়। সেই রাতজুড়ে হিশাম ও লিমনের ফোন লোকেশন মিলে যায় বলে দাবি প্রসিকিউটরের।
রাত ১০টা ৩০ মিনিটে হিশামের ফোন থেকে ডোরড্যাশে অর্ডার দেওয়া হয়- ট্র্যাশ ব্যাগ, লাইসল ওয়াইপস, ফেব্রিজ ও অন্যান্য জিনিস। সিএভিএস থেকে অর্ডারটি আধঘণ্টা পর বাসার দরজায় পৌঁছে দেওয়া হয়। বাসার অপর রুমমেট পুলিশকে জানায়, সে হিশামকে একটি ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তার ঘর থেকে কার্ডবোর্ডের বাক্স নিয়ে কম্প্যাক্টর ডাস্টবিনে ফেলতে দেখেছে।
১৭ এপ্রিল (সেতুতে দুবার যাতায়াত, নিখোঁজের খবর): ফোনে চ্যাটজিপিটিতে সার্চ করা হয়-‘হিলসবরো রিভার স্টেট পার্কে কি গাড়ি চেক করা হয়?’ রাত ১টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে দুইবার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজে যায় হিশাম। এই সেতুটি আন্তঃরাজ্য ২৭৫-এর অংশ ও ট্যাম্পা বে-র ওপর দিয়ে বিস্তৃত।
একই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজের খবর দেওয়া হয়। পরের দিন বৃষ্টির ক্যাম্পাস কর্মস্থল থেকে তার লাঞ্চবক্স, ম্যাকবুক ও আইপ্যাড উদ্ধার করে পুলিশ।
১৮ এপ্রিল (সন্দেহভাজনের মায়ের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ): পুলিশ হিশামের মায়ের সঙ্গে কথা বলে। তিনি জানান, শেষবার ছেলেকে ১৮ এপ্রিল শনিবার দেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ছেলের ‘অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট’ সমস্যা রয়েছে এবং অতীতে পরিবারের সদস্যদের ওপর হিংস্র আচরণ করেছে।
২০২৩ সালে হিশামের বিরুদ্ধে ব্যাটারির অভিযোগ ছিল, যা পরে নিষ্পত্তি হয়। এক ঘটনায় তার ভাই আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা চাইলে তা গত মে মাসে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়।
২৩ এপ্রিল (‘এন্ডেনজারড’ ঘোষণা ও নতুন প্রমাণ): পুলিশ দুই শিক্ষার্থীকে ‘এন্ডেনজারড’ (বিপদাপন্ন) ঘোষণা করে। একটি ডাস্টবিন থেকে রক্তমাখা কালো কুশনের মাদুর, লিমনের মানিব্যাগ, বৃষ্টির ফোন কাভার, লিমনের চশমা ও রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার করা হয়। একই দিন হিশাম তার গাড়ি তল্লাশির অনুমতি দেয়। প্রসিকিউটরের দাবি, গাড়িটি ‘সম্প্রতি পরিষ্কার করা হয়েছে’ এবং কোনো যানবাহন ডেটা ছিল না।
জিজ্ঞাসাবাদে হিশাম পরস্পরবিরোধী তথ্য দেয়। প্রথমে বলে, লিমন-বৃষ্টি কখনও তার গাড়িতে ওঠেনি। তার গাড়ি ক্লিয়ারওয়াটারে প্রমাণ পেয়ে দ্বিতীয়বার বলে, সেখানে মাছ ধরার জায়গা খুঁজতে গিয়েছিলেন। তৃতীয়বার দাবি করে, লিমন তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে ক্লিয়ারওয়াটারে যেতে চেয়েছিল।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় হিশামের বাঁ হাতের কনিষ্ঠা আঙুলে ব্যান্ডেজ দেখা যায়। সে দাবি করে, পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে কেটেছেন। তদন্তকারীরা তার হাতের ত্রিসেপে নতুন কাটা ও পায়ে অতিরিক্ত ক্ষত লক্ষ্য করেন। সেদিনই চ্যাটজিপিটিতে সে প্রশ্ন করে, ‘নিখোঁজ বিপদাপন্ন প্রাপ্তবয়স্ক বলতে কী বোঝায়?’
২৪ এপ্রিল (লিমনের মরদেহ উদ্ধার ও গ্রেপ্তার): পুলিশ ব্রিজ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি কালো বস্তা খুঁজে পায়। যেখানে প্রায় একই বস্তা হিশামের বিছানার নিচে পাওয়া গিয়েছিল। ওই বস্তার ভেতর লিমনের মরদেহ উদ্ধার হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কবজায় হিশাম
২৫ এপ্রিল (আদালতে হাজিরা, নতুন অভিযোগ): হিশামের প্রথম ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগের পাশাপাশি যুক্ত হয়- অবৈধভাবে মরদেহ সরানো, রিপোর্ট না করাসহ প্রমাণ ধ্বংস, অপহরণ ও ব্যাটারির অভিযোগ।
২৬ এপ্রিল (পানিতে মানবদেহের অংশ উদ্ধার): হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছে পানিপথ থেকে মানবদেহের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি বৃষ্টির কি না, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
জামালপুরে লিমনের মায়ের কান্না।
২৮ এপ্রিল (জামিন ছাড়া আটকের নির্দেশ) : হিলসবরো কাউন্টি জজ জে. লোগান মারফি প্রথম ডিগ্রি হত্যার অভিযোগে জামিন ছাড়া আটকের নির্দেশ দেন। লিমনের মা নীলিমা বৈরাগী ও পরিবার গণমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার চাই। দুনিয়ায় বড় অন্যায় হলেও আমাদের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের প্রতি আস্থা আছে।’

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচন হচ্ছে। সেই সঙ্গে লিমনের রুমমেট প্রধান সন্দেহভাজন হিশাম সালেহ আবুঘরবেহের পরিকল্পনার ‘ভয়ঙ্কর’ দিক উঠে আসছে।
আদালতে জমা দেওয়া প্রসিকিউটরের নথি ও তদন্ত সূত্রে উঠে এসেছে ছককাটা পরিকল্পনার ভয়াবহ এক টাইমলাইন। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই ঘটনার বিস্তারিত ক্রম তুলে ধরা হয়েছে।
৭ ও ১১ এপ্রিল: অ্যামাজনে সন্দেহজনক কেনাকাটার বিষয় উঠে এসেছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ অ্যামাজন থেকে ডাক্ট টেপ, আবর্জনার ব্যাগ, লাইটার ফুয়েল ও ফায়ার স্টার্টার কেনেন। এই কেনাকাটা ইঙ্গিত দেয়-হত্যার প্রস্তুতি আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল।
১৩ এপ্রিল: চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ‘কালো ব্যাগে লাশ ফেললে কী হয়’? আদালতে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, হিশাম চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করেন, ‘কোনো মানুষকে যদি কালো আবর্জনার ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়, তাহলে কী হতে পারে?’ চ্যাটবট উত্তর দেয়, ‘এটা বিপজ্জনক শোনাচ্ছে।’ জবাবে হিশাম লেখেন, ‘তারা কীভাবে জানতে পারবে?’
১৬ এপ্রিল (শেষবার দেখা ও রাতের ঘটনা): সেদিন বৃষ্টি ও লিমনকে শেষবার দেখা যায়। দিনের মাঝামাঝি ক্যাম্পাসের সিসিটিভিতে ধরা পড়ে বৃষ্টি। সন্ধ্যায় চশমা নিতে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা থাকলেও তিনি সেখানে যাননি, ফোনও ধরেননি।
রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে লিমনের ফোন লোকেশন ধরা পড়ে ক্লিয়ারওয়াটারে- তার বাসা থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে হিশামের সাদা হুন্ডাই জেনেসিস জিএস৮০ গাড়িও একই জায়গায় দেখা যায়। সেই রাতজুড়ে হিশাম ও লিমনের ফোন লোকেশন মিলে যায় বলে দাবি প্রসিকিউটরের।
রাত ১০টা ৩০ মিনিটে হিশামের ফোন থেকে ডোরড্যাশে অর্ডার দেওয়া হয়- ট্র্যাশ ব্যাগ, লাইসল ওয়াইপস, ফেব্রিজ ও অন্যান্য জিনিস। সিএভিএস থেকে অর্ডারটি আধঘণ্টা পর বাসার দরজায় পৌঁছে দেওয়া হয়। বাসার অপর রুমমেট পুলিশকে জানায়, সে হিশামকে একটি ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তার ঘর থেকে কার্ডবোর্ডের বাক্স নিয়ে কম্প্যাক্টর ডাস্টবিনে ফেলতে দেখেছে।
১৭ এপ্রিল (সেতুতে দুবার যাতায়াত, নিখোঁজের খবর): ফোনে চ্যাটজিপিটিতে সার্চ করা হয়-‘হিলসবরো রিভার স্টেট পার্কে কি গাড়ি চেক করা হয়?’ রাত ১টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে দুইবার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজে যায় হিশাম। এই সেতুটি আন্তঃরাজ্য ২৭৫-এর অংশ ও ট্যাম্পা বে-র ওপর দিয়ে বিস্তৃত।
একই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে লিমন ও বৃষ্টি নিখোঁজের খবর দেওয়া হয়। পরের দিন বৃষ্টির ক্যাম্পাস কর্মস্থল থেকে তার লাঞ্চবক্স, ম্যাকবুক ও আইপ্যাড উদ্ধার করে পুলিশ।
১৮ এপ্রিল (সন্দেহভাজনের মায়ের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ): পুলিশ হিশামের মায়ের সঙ্গে কথা বলে। তিনি জানান, শেষবার ছেলেকে ১৮ এপ্রিল শনিবার দেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ছেলের ‘অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট’ সমস্যা রয়েছে এবং অতীতে পরিবারের সদস্যদের ওপর হিংস্র আচরণ করেছে।
২০২৩ সালে হিশামের বিরুদ্ধে ব্যাটারির অভিযোগ ছিল, যা পরে নিষ্পত্তি হয়। এক ঘটনায় তার ভাই আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা চাইলে তা গত মে মাসে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়।
২৩ এপ্রিল (‘এন্ডেনজারড’ ঘোষণা ও নতুন প্রমাণ): পুলিশ দুই শিক্ষার্থীকে ‘এন্ডেনজারড’ (বিপদাপন্ন) ঘোষণা করে। একটি ডাস্টবিন থেকে রক্তমাখা কালো কুশনের মাদুর, লিমনের মানিব্যাগ, বৃষ্টির ফোন কাভার, লিমনের চশমা ও রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার করা হয়। একই দিন হিশাম তার গাড়ি তল্লাশির অনুমতি দেয়। প্রসিকিউটরের দাবি, গাড়িটি ‘সম্প্রতি পরিষ্কার করা হয়েছে’ এবং কোনো যানবাহন ডেটা ছিল না।
জিজ্ঞাসাবাদে হিশাম পরস্পরবিরোধী তথ্য দেয়। প্রথমে বলে, লিমন-বৃষ্টি কখনও তার গাড়িতে ওঠেনি। তার গাড়ি ক্লিয়ারওয়াটারে প্রমাণ পেয়ে দ্বিতীয়বার বলে, সেখানে মাছ ধরার জায়গা খুঁজতে গিয়েছিলেন। তৃতীয়বার দাবি করে, লিমন তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে ক্লিয়ারওয়াটারে যেতে চেয়েছিল।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় হিশামের বাঁ হাতের কনিষ্ঠা আঙুলে ব্যান্ডেজ দেখা যায়। সে দাবি করে, পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে কেটেছেন। তদন্তকারীরা তার হাতের ত্রিসেপে নতুন কাটা ও পায়ে অতিরিক্ত ক্ষত লক্ষ্য করেন। সেদিনই চ্যাটজিপিটিতে সে প্রশ্ন করে, ‘নিখোঁজ বিপদাপন্ন প্রাপ্তবয়স্ক বলতে কী বোঝায়?’
২৪ এপ্রিল (লিমনের মরদেহ উদ্ধার ও গ্রেপ্তার): পুলিশ ব্রিজ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি কালো বস্তা খুঁজে পায়। যেখানে প্রায় একই বস্তা হিশামের বিছানার নিচে পাওয়া গিয়েছিল। ওই বস্তার ভেতর লিমনের মরদেহ উদ্ধার হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কবজায় হিশাম
২৫ এপ্রিল (আদালতে হাজিরা, নতুন অভিযোগ): হিশামের প্রথম ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগের পাশাপাশি যুক্ত হয়- অবৈধভাবে মরদেহ সরানো, রিপোর্ট না করাসহ প্রমাণ ধ্বংস, অপহরণ ও ব্যাটারির অভিযোগ।
২৬ এপ্রিল (পানিতে মানবদেহের অংশ উদ্ধার): হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছে পানিপথ থেকে মানবদেহের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি বৃষ্টির কি না, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
জামালপুরে লিমনের মায়ের কান্না।
২৮ এপ্রিল (জামিন ছাড়া আটকের নির্দেশ) : হিলসবরো কাউন্টি জজ জে. লোগান মারফি প্রথম ডিগ্রি হত্যার অভিযোগে জামিন ছাড়া আটকের নির্দেশ দেন। লিমনের মা নীলিমা বৈরাগী ও পরিবার গণমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার চাই। দুনিয়ায় বড় অন্যায় হলেও আমাদের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের প্রতি আস্থা আছে।’

আপনার মতামত লিখুন