দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী জুলাই মাস থেকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা এবং পাটের ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
বুধবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়
এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় পোশাকের
চূড়ান্ত ডিজাইন, রং এবং ব্যাগের
নমুনা প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রাথমিক
স্তরের শিশুদের জন্য নির্ধারিত এই
পোশাকের ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব।
ছেলে ও মেয়েদের জন্য
পৃথক পোশাকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেয়েদের
জন্য হালকা নীল বা আকাশী
রঙের ফ্রক এবং হাফপ্যান্টের
দুটি ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। যার
কলার ও বেল্টে গাঢ়
নীল রঙের ব্যবহার থাকবে।
অন্যদিকে,
ছেলেদের জন্য রাখা হয়েছে
আকাশী রঙের হাফহাতা শার্ট
ও নেভি-ব্লু হাফপ্যান্ট।
শিক্ষার্থীদের এই পোশাকের সাথে
দেওয়া হবে সাদা জুতা
ও সাদা মোজা। এছাড়া
পাটের তৈরি বাহারি ডিজাইনের
ব্যাগও পাবে শিশুরা, যা
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই।
প্রাথমিক
পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ২৫টি
উপজেলার ৩ হাজার ৫২২টি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে।
এতে মোট ৯৯ হাজার
৮৮৩ জন শিক্ষার্থী উপকৃত
হবে, যার মধ্যে ৫২
হাজার ৬৮১ জন ছাত্রী
এবং ৪৭ হাজার ২০২
জন ছাত্র।
ঢাকার
মোহাম্মদপুর, গুলশান, মিরপুর ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার
পাশাপাশি মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ সদরেও
এই পোশাক বিতরণ করা হবে। এছাড়া
চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ দেশের প্রতিটি বিভাগের নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায় এই
পাইলট কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয়
সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন
ম এহছানুল হক মিলন এই
প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থী এক শ্রেণিতে এক
সেট পোশাক পাবে। এটা পাইলট প্রোগ্রামের
সিদ্ধান্ত। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখবো
আমাদের সক্ষমতা কতটা বাড়ে; আমরা
আরও বেশি দিতে পারি
কি না। তবে প্রথমে
এক সেট করে ড্রেস,
জুতা ও ব্যাগ দেওয়া
হবে।
জুলাই
মাসে কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শিক্ষামন্ত্রী আরও
বলেন, আমরা জুলাই থেকে
এটা শুরু করবো। প্রথমে
আটটি বিভাগেরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর আমরা ইবতেদায়ি
মাদরাসাগুলো অন্তর্ভুক্ত করবো।
বেসরকারি
বিদ্যালয়ের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে
বলেন, আগে সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ি পাবে।
এরপর আমরা বেসরকারি বিদ্যালয়ের
দিকে যাবো। প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলো শেষ করার পর
পর্যায়ক্রমে মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়েও পোশাক বিতরণ করা হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী জুলাই মাস থেকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা এবং পাটের ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
বুধবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়
এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় পোশাকের
চূড়ান্ত ডিজাইন, রং এবং ব্যাগের
নমুনা প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রাথমিক
স্তরের শিশুদের জন্য নির্ধারিত এই
পোশাকের ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব।
ছেলে ও মেয়েদের জন্য
পৃথক পোশাকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেয়েদের
জন্য হালকা নীল বা আকাশী
রঙের ফ্রক এবং হাফপ্যান্টের
দুটি ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। যার
কলার ও বেল্টে গাঢ়
নীল রঙের ব্যবহার থাকবে।
অন্যদিকে,
ছেলেদের জন্য রাখা হয়েছে
আকাশী রঙের হাফহাতা শার্ট
ও নেভি-ব্লু হাফপ্যান্ট।
শিক্ষার্থীদের এই পোশাকের সাথে
দেওয়া হবে সাদা জুতা
ও সাদা মোজা। এছাড়া
পাটের তৈরি বাহারি ডিজাইনের
ব্যাগও পাবে শিশুরা, যা
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই।
প্রাথমিক
পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ২৫টি
উপজেলার ৩ হাজার ৫২২টি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে।
এতে মোট ৯৯ হাজার
৮৮৩ জন শিক্ষার্থী উপকৃত
হবে, যার মধ্যে ৫২
হাজার ৬৮১ জন ছাত্রী
এবং ৪৭ হাজার ২০২
জন ছাত্র।
ঢাকার
মোহাম্মদপুর, গুলশান, মিরপুর ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার
পাশাপাশি মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ সদরেও
এই পোশাক বিতরণ করা হবে। এছাড়া
চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ দেশের প্রতিটি বিভাগের নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায় এই
পাইলট কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয়
সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন
ম এহছানুল হক মিলন এই
প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থী এক শ্রেণিতে এক
সেট পোশাক পাবে। এটা পাইলট প্রোগ্রামের
সিদ্ধান্ত। পরবর্তী সময়ে আমরা দেখবো
আমাদের সক্ষমতা কতটা বাড়ে; আমরা
আরও বেশি দিতে পারি
কি না। তবে প্রথমে
এক সেট করে ড্রেস,
জুতা ও ব্যাগ দেওয়া
হবে।
জুলাই
মাসে কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শিক্ষামন্ত্রী আরও
বলেন, আমরা জুলাই থেকে
এটা শুরু করবো। প্রথমে
আটটি বিভাগেরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর আমরা ইবতেদায়ি
মাদরাসাগুলো অন্তর্ভুক্ত করবো।
বেসরকারি
বিদ্যালয়ের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে
বলেন, আগে সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ি পাবে।
এরপর আমরা বেসরকারি বিদ্যালয়ের
দিকে যাবো। প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলো শেষ করার পর
পর্যায়ক্রমে মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়েও পোশাক বিতরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন