গ্যাংটকের পাহাড়ি হাওয়া, হালকা রোদ, আর তার মাঝেই হঠাৎ এক অপ্রত্যাশিত দৃশ্য- রাজনীতির কঠিন মঞ্চ ছেড়ে সরাসরি ফুটবল মাঠে নেমে পড়লেন নরেন্দ্র মোদী! পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগের দিন- টাইমিংটা কিন্তু একেবারে সিনেম্যাটিক।
সাধারণত যাকে আমরা মাইকের সামনে, বক্তৃতার ঝড় তুলতে দেখি, সেই মানুষটাকেই এদিন দেখা গেল ছোট্টদের সঙ্গে হেসে হেসে ফুটবল খেলতে। কালো ট্র্যাক প্যান্ট, নীল জার্সি, আর পায়ে বল- পুরো লুকটাই যেন ‘প্রধানমন্ত্রী’ থেকে ‘স্ট্রাইকার মোদি’!
গ্যাংটকের সেই সকালটা যেন একেবারে অন্যরকম। পাহাড় ঘেরা মাঠে ছোটদের সঙ্গে বল পাস, ড্রিবল, এমনকি গোলের দিকেও শট নিতে দেখা গেল তাঁকে। আর তারপর? সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই মুহূর্ত শেয়ার করে লিখলেন- ‘গ্যাংটকের মনোরম সকালে আমার ছোট্ট বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা- এর সঙ্গে আর কিছুরই তুলনা হয় না।’
এখন প্রশ্নটা হচ্ছে- এটা কি শুধুই একটা “কিউট মোমেন্ট”? নাকি এর পিছনে আছে সূক্ষ্ম রাজনৈতিক বার্তা?
রাজনৈতিক মহলের একাংশ কিন্তু বলছে, এটা নিছক খেলা নয়, বরং নিখুঁত ‘ফুটবল পলিটিক্স’! কারণ কলকাতা- যাকে বলা হয় ভারতের ফুটবলের রাজধানী। বাঙালির রক্তে ফুটবল, আবেগে ফুটবল। আর ভোটের ঠিক আগে সেই আবেগে হালকা টোকা- এটা কি কাকতালীয়?
ভাবুন তো- মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করলে হয়তো অনেকেই শুনতেন, কিন্তু মাঠে নেমে একটা গোল? সেটা কিন্তু সরাসরি ভাইরাল মুহূর্ত!
সব মিলিয়ে, “ফুটবলার মোদি” এখন রাজনৈতিক মাঠেও এক নতুন খেলা শুরু করলেন কিনা, সেটাই দেখার বিষয়। ভোটের আগের এই হালকা মেজাজ- আসলে কতটা গভীর বার্তা বহন করছে, তা বুঝতে হয়তো আর বেশি দেরি নেই।
রাজনীতি, আবেগ আর ফুটবলের এই মিশেল- এক কথায়, “গেম অন!”

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
গ্যাংটকের পাহাড়ি হাওয়া, হালকা রোদ, আর তার মাঝেই হঠাৎ এক অপ্রত্যাশিত দৃশ্য- রাজনীতির কঠিন মঞ্চ ছেড়ে সরাসরি ফুটবল মাঠে নেমে পড়লেন নরেন্দ্র মোদী! পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগের দিন- টাইমিংটা কিন্তু একেবারে সিনেম্যাটিক।
সাধারণত যাকে আমরা মাইকের সামনে, বক্তৃতার ঝড় তুলতে দেখি, সেই মানুষটাকেই এদিন দেখা গেল ছোট্টদের সঙ্গে হেসে হেসে ফুটবল খেলতে। কালো ট্র্যাক প্যান্ট, নীল জার্সি, আর পায়ে বল- পুরো লুকটাই যেন ‘প্রধানমন্ত্রী’ থেকে ‘স্ট্রাইকার মোদি’!
গ্যাংটকের সেই সকালটা যেন একেবারে অন্যরকম। পাহাড় ঘেরা মাঠে ছোটদের সঙ্গে বল পাস, ড্রিবল, এমনকি গোলের দিকেও শট নিতে দেখা গেল তাঁকে। আর তারপর? সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই মুহূর্ত শেয়ার করে লিখলেন- ‘গ্যাংটকের মনোরম সকালে আমার ছোট্ট বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা- এর সঙ্গে আর কিছুরই তুলনা হয় না।’
এখন প্রশ্নটা হচ্ছে- এটা কি শুধুই একটা “কিউট মোমেন্ট”? নাকি এর পিছনে আছে সূক্ষ্ম রাজনৈতিক বার্তা?
রাজনৈতিক মহলের একাংশ কিন্তু বলছে, এটা নিছক খেলা নয়, বরং নিখুঁত ‘ফুটবল পলিটিক্স’! কারণ কলকাতা- যাকে বলা হয় ভারতের ফুটবলের রাজধানী। বাঙালির রক্তে ফুটবল, আবেগে ফুটবল। আর ভোটের ঠিক আগে সেই আবেগে হালকা টোকা- এটা কি কাকতালীয়?
ভাবুন তো- মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করলে হয়তো অনেকেই শুনতেন, কিন্তু মাঠে নেমে একটা গোল? সেটা কিন্তু সরাসরি ভাইরাল মুহূর্ত!
সব মিলিয়ে, “ফুটবলার মোদি” এখন রাজনৈতিক মাঠেও এক নতুন খেলা শুরু করলেন কিনা, সেটাই দেখার বিষয়। ভোটের আগের এই হালকা মেজাজ- আসলে কতটা গভীর বার্তা বহন করছে, তা বুঝতে হয়তো আর বেশি দেরি নেই।
রাজনীতি, আবেগ আর ফুটবলের এই মিশেল- এক কথায়, “গেম অন!”

আপনার মতামত লিখুন