দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা ছয়টি মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে পাবনা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক থাকাকালী ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস কেনাকাটা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ অভিযোগে দুদকের সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শহিদুল আলম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেন।
বুধবার আদালতে মামলাগুলোর হাজিরা দিতে উপস্থিত হলে আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডাক্তার তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন পেশ করলে দুদকের প্রসিকিউশন পক্ষ এর বিরোধিতা করে|উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ডাক্তার তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস হাসপাতালের ওষুধ ও খাবার সরবরাহসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে সরকারের বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এসব মামলা দায়ের করা হয়।
সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার খবরে পাবনার সচেতন মহল এবং স্বাস্থ্য বিভাগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাস রায় এবং তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ ইকবাল লিটন ও অ্যাডভোকেট আলী রেজা পারভেজ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা ছয়টি মামলায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে পাবনা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক থাকাকালী ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস কেনাকাটা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ অভিযোগে দুদকের সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শহিদুল আলম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করেন।
বুধবার আদালতে মামলাগুলোর হাজিরা দিতে উপস্থিত হলে আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডাক্তার তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন পেশ করলে দুদকের প্রসিকিউশন পক্ষ এর বিরোধিতা করে|উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ডাক্তার তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস হাসপাতালের ওষুধ ও খাবার সরবরাহসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে সরকারের বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এসব মামলা দায়ের করা হয়।
সাবেক এই প্রভাবশালী কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার খবরে পাবনার সচেতন মহল এবং স্বাস্থ্য বিভাগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট মলয় কুমার দাস রায় এবং তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাসের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ ইকবাল লিটন ও অ্যাডভোকেট আলী রেজা পারভেজ।

আপনার মতামত লিখুন