দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “কিছুদিন আগেও পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। বিরোধী দলের সদস্যরাও এ নিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তু, আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকারি ও বিরোধী দল মিলে কমিটি করেছি, দেশটাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি।”
তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন তলাবিহীন ঝুড়ির দেশটাকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বেও আমরা এই দেশটাকে নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তারেক রহমান যা বলেন, তা-ই করেন।”
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ৯ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে দেশ ছাড়লেও ‘ফ্যাসিস্ট’ শেখ হাসিনার জেলে যেতে হয়নি বলে স্বস্তি প্রকাশ করেন ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি বলেন, “বলেছিলাম হাসিনার জেলে যাব না, আল্লাহ কবুল করেছেন। আমি জেলে যাইনি, হাসিনাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।” তিনি বলেন, “হাইকোর্ট থেকে খালাস পাওয়ার পরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা পুনরুজ্জীবিত করে আমাকে ৯ বছরের জেল দেওয়া হয়েছিল। গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার ওপর যে অমানবিক নির্যাতন হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আমি আপসহীন ছিলাম।”
জ্বালানি মন্ত্রী আরো বলেন, “পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ৬৯-এর আন্দোলন এবং ৭১-এর গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “৭১ বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের গর্বের জায়গা, ৭১ না হলে আমরা আজকে এই পার্লামেন্টে বসতে পারতাম না। ৭১ না হলে আমরা কেউ সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। ৭১ না হলে এই দেশের মন্ত্রী হতে পারতাম না।”
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জ্বালানি বিষয়ক যে বিশেষ কমিটি করা হয়েছে, আগামী রবিবার তারা বৈঠকে বসবে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “কিছুদিন আগেও পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। বিরোধী দলের সদস্যরাও এ নিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তু, আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকারি ও বিরোধী দল মিলে কমিটি করেছি, দেশটাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি।”
তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন তলাবিহীন ঝুড়ির দেশটাকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বেও আমরা এই দেশটাকে নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তারেক রহমান যা বলেন, তা-ই করেন।”
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ৯ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে দেশ ছাড়লেও ‘ফ্যাসিস্ট’ শেখ হাসিনার জেলে যেতে হয়নি বলে স্বস্তি প্রকাশ করেন ইকবাল হাসান মাহমুদ।
তিনি বলেন, “বলেছিলাম হাসিনার জেলে যাব না, আল্লাহ কবুল করেছেন। আমি জেলে যাইনি, হাসিনাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।” তিনি বলেন, “হাইকোর্ট থেকে খালাস পাওয়ার পরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা পুনরুজ্জীবিত করে আমাকে ৯ বছরের জেল দেওয়া হয়েছিল। গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার ওপর যে অমানবিক নির্যাতন হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আমি আপসহীন ছিলাম।”
জ্বালানি মন্ত্রী আরো বলেন, “পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ৬৯-এর আন্দোলন এবং ৭১-এর গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “৭১ বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের গর্বের জায়গা, ৭১ না হলে আমরা আজকে এই পার্লামেন্টে বসতে পারতাম না। ৭১ না হলে আমরা কেউ সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। ৭১ না হলে এই দেশের মন্ত্রী হতে পারতাম না।”
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জ্বালানি বিষয়ক যে বিশেষ কমিটি করা হয়েছে, আগামী রবিবার তারা বৈঠকে বসবে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

আপনার মতামত লিখুন