জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সমাপনী দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
জামায়াতের নায়েবে আমির সংসদে বক্তব্যে আরো দাবি করেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দেওয়া মানুষদের ভারতের প্রবেশের আগে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন। পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন।
অধিবেশনে এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আরো বলেন, “আজকাল আমাদের খুব বেশি করে রাজাকার-আলবদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই যে আমরা এখানে (জামায়াত সদস্যরা) বসে আছি, আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদরও ছিলাম না। যদি আপনারা সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।”
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, “আমাদের বাড়ি ছিল বর্ডারের কাছে। বাড়িটি বেশ বড় ছিল। যারা ইন্ডিয়াতে মাইগ্রেট করতে যেতেন, তারা প্রথমে আমাদের ওখানে এসে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতাম। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কিনা, তা আমরা পাহারা দিতাম। যখন সেনারা দূরে থাকতো, তখন আমরা গাইড করে মানুষকে ইন্ডিয়া পার করে দিতাম।”

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সমাপনী দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
জামায়াতের নায়েবে আমির সংসদে বক্তব্যে আরো দাবি করেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দেওয়া মানুষদের ভারতের প্রবেশের আগে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন। পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন।
অধিবেশনে এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আরো বলেন, “আজকাল আমাদের খুব বেশি করে রাজাকার-আলবদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই যে আমরা এখানে (জামায়াত সদস্যরা) বসে আছি, আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদরও ছিলাম না। যদি আপনারা সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।”
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, “আমাদের বাড়ি ছিল বর্ডারের কাছে। বাড়িটি বেশ বড় ছিল। যারা ইন্ডিয়াতে মাইগ্রেট করতে যেতেন, তারা প্রথমে আমাদের ওখানে এসে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতাম। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কিনা, তা আমরা পাহারা দিতাম। যখন সেনারা দূরে থাকতো, তখন আমরা গাইড করে মানুষকে ইন্ডিয়া পার করে দিতাম।”

আপনার মতামত লিখুন