দেশে চাহিদার তুলনায় কোরবানিযোগ্য গবাদি পশু বেশি আছে বলে তথ্য দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলছেন, আমদানির প্রয়োজন নেই। সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে।
আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে রবিবার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবাধ পরিবহন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কোরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসেবে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, “এ বছর কোরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।”
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টি পশুর হাট ইজারার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “যেখানে-সেখানে হাট বসতে আমরা দেব না। নির্দিষ্ট জায়গায় হাট বসবে।”
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে।
তিনি বলেন, “সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে অতীতে যে পরিমাণ আসত, আমার ধারণা গতবছর তার চার ভাগের এক ভাগও আসেনি। এবার জিরো হবে।”
পশুর হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “তারা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার।”

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দেশে চাহিদার তুলনায় কোরবানিযোগ্য গবাদি পশু বেশি আছে বলে তথ্য দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলছেন, আমদানির প্রয়োজন নেই। সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে।
আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে রবিবার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবাধ পরিবহন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশু রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কোরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসেবে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, “এ বছর কোরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।”
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টি পশুর হাট ইজারার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “যেখানে-সেখানে হাট বসতে আমরা দেব না। নির্দিষ্ট জায়গায় হাট বসবে।”
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে ঢুকতে না পারে, সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে।
তিনি বলেন, “সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে অতীতে যে পরিমাণ আসত, আমার ধারণা গতবছর তার চার ভাগের এক ভাগও আসেনি। এবার জিরো হবে।”
পশুর হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “তারা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার।”

আপনার মতামত লিখুন