সংবাদ

আইনমন্ত্রী

স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস গঠনে কাজ চলছে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ১২:২৯ এএম

স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস গঠনে কাজ চলছে

রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য স্থায়ী ‘প্রসিকিউশন সার্ভিস’ গঠনের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

র‌বিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আইনমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “পার্মানেন্ট প্রসিকিউশন সার্ভিস আমাদের বিবেচনাধীন রয়েছে।” তিনি জানান, এ বিষয়ে তারা কাজ করছেন।

চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিনদিন পর ৮ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পান মো. আসাদুজ্জামান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। বিএনপির মনোনয়নে পেয়ে ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

দেশে বর্তমানে পাবলিক নিয়োগ হয় অনেকটা রাজনৈতিক বিবেচনায়। এর জন্য কোনো নিয়োগ পরীক্ষা নেই। প্রসিকিউটরদের নির্দিষ্ট মেয়াদও নেই। স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস গঠন হলে প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। বিচারিক আদালতে পাবলিক প্রসিকিউটরদের নিয়োগ হবে স্থায়ী। তারা নির্ধারিত বেতন-ভাতাসহ সরকারি কর্মকর্তাদের মতো অন্যান্য সুবিধাও পাবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমাদের যত দপ্তর রয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো দুর্নীতি, অনিয়ম বা অভিযোগ থাকলে সেগুলো সরাসরি আমাদের জানাতে বলেছি৷ এসব অভিযোগ আমরা সুনির্দিষ্টভাবে ‘অ্যাড্রেস’ করব৷ মাঠ পর্যায়ে তাদেরকে (ডিসি) সতর্ক থাকতে বলেছি।”

তিনি বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, তাও দেখার বিষয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, “সরকারের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক ফাইল আসতে দেরি হয়। এটা যাতে না হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখতে বলেছি। এছাড়া জেলা প্রশাসকরা যদি কিছু ‘সাজেস্ট’ করেন সে বিষয়গুলো জানাতে বলেছি, যাতে এসব বিষয় ভবিষ্যতে আমরা সমাধান করতে পারি৷”

জেলা প্রশাসকদের কোনো প্রস্তাব রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “আমার সেশনে জেলা প্রশাসকদের কোনো প্রস্তাব ছিল না৷ এছাড়া মামলা জট কমানোর জন্য ডিসিদের কোনো পরামর্শ থাকলে জানাতে বলেছি৷”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস গঠনে কাজ চলছে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য স্থায়ী ‘প্রসিকিউশন সার্ভিস’ গঠনের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

র‌বিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আইনমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “পার্মানেন্ট প্রসিকিউশন সার্ভিস আমাদের বিবেচনাধীন রয়েছে।” তিনি জানান, এ বিষয়ে তারা কাজ করছেন।

চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিনদিন পর ৮ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পান মো. আসাদুজ্জামান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। বিএনপির মনোনয়নে পেয়ে ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

দেশে বর্তমানে পাবলিক নিয়োগ হয় অনেকটা রাজনৈতিক বিবেচনায়। এর জন্য কোনো নিয়োগ পরীক্ষা নেই। প্রসিকিউটরদের নির্দিষ্ট মেয়াদও নেই। স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস গঠন হলে প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। বিচারিক আদালতে পাবলিক প্রসিকিউটরদের নিয়োগ হবে স্থায়ী। তারা নির্ধারিত বেতন-ভাতাসহ সরকারি কর্মকর্তাদের মতো অন্যান্য সুবিধাও পাবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমাদের যত দপ্তর রয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো দুর্নীতি, অনিয়ম বা অভিযোগ থাকলে সেগুলো সরাসরি আমাদের জানাতে বলেছি৷ এসব অভিযোগ আমরা সুনির্দিষ্টভাবে ‘অ্যাড্রেস’ করব৷ মাঠ পর্যায়ে তাদেরকে (ডিসি) সতর্ক থাকতে বলেছি।”

তিনি বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, তাও দেখার বিষয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, “সরকারের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক ফাইল আসতে দেরি হয়। এটা যাতে না হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখতে বলেছি। এছাড়া জেলা প্রশাসকরা যদি কিছু ‘সাজেস্ট’ করেন সে বিষয়গুলো জানাতে বলেছি, যাতে এসব বিষয় ভবিষ্যতে আমরা সমাধান করতে পারি৷”

জেলা প্রশাসকদের কোনো প্রস্তাব রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “আমার সেশনে জেলা প্রশাসকদের কোনো প্রস্তাব ছিল না৷ এছাড়া মামলা জট কমানোর জন্য ডিসিদের কোনো পরামর্শ থাকলে জানাতে বলেছি৷”


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত