সংবাদ

হাওর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ মে ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম

হাওর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

হাওর অঞ্চলের তিনটি জেলার সাতটি নদীর মোট আটটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে।

নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে এখন বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াজঞ্জাইলে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোণা সদরে মগরা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে এবং আটপাড়া এলাকায় একই নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। একই জেলার সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার নদীগুলোর পানির স্তর ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে খুব ধীরে বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


হাওর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

হাওর অঞ্চলের তিনটি জেলার সাতটি নদীর মোট আটটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জ সদরে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে।

নেত্রকোণার জারিয়াজঞ্জাইলে ধনু-বাউলাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে এখন বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। এছাড়া জারিয়াজঞ্জাইলে ভুগাই-কংশ নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নেত্রকোণা সদরে মগরা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে এবং আটপাড়া এলাকায় একই নদীর পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কালনি নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। একই জেলার সুতাং রেলসেতু এলাকায় সুতাং নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার নদীগুলোর পানির স্তর ঘণ্টায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার হারে খুব ধীরে বাড়ছে।







সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত