প্রযুক্তি বিশ্বে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয়জয়কার। কিন্তু এই বিপ্লবই এবার সাধারণ ক্রেতাদের পকেটে বাড়তি চাপ ফেলতে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে অ্যাপলের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানও পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। খোদ অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক জানিয়েছেন, আইফোনসহ অন্যান্য অ্যাপল পণ্যের দাম বৃদ্ধি এখন অনিবার্য।
সম্প্রতি
সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টিম কুক বর্তমান
পরিস্থিতিকে অভাবনীয় এক সংকট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপুল চাহিদার কারণে
মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের দাম অবিশ্বাস্য হারে বেড়ে গেছে। অ্যাপল এতদিন এই বাড়তি
খরচের ধাক্কা নিজেরাই সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই অটেকসই হয়ে পড়েছে।
প্রযুক্তি
বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৮ সিরিজের ঘোষণায় এই বাড়তি
দামের প্রভাব সরাসরি ক্রেতাদের ওপর পড়তে পারে। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান টেকইনসাইটস ধারণা
করছে, আসন্ন আইফোন
১৮ প্রো মডেলের দাম আগের চেয়ে প্রায় ২০০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এর মূল কারণ
হলো যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধি। নতুন আইফোনে শুধু মেমোরি চিপের খরচ ৩৯ ডলার থেকে
বেড়ে ১৪৫ ডলার এবং স্টোরেজ চিপের খরচ ১৩ ডলার থেকে বেড়ে ৫১ ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে
ধারণা করা হচ্ছে।
অ্যাপল
সম্প্রতি তাদের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ফিচার ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ এবং ‘সিরি
এআই’ উন্মোচন করেছে। ডিভাইসে এই অত্যাধুনিক ফিচারগুলো মসৃণভাবে চালানোর জন্য আরও
বেশি মেমোরির প্রয়োজন। একদিকে নতুন ফিচারের জন্য বেশি মেমোরির চাহিদা, অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী সেই মেমোরি চিপেরই
হাহাকার। এই দ্বিমুখী সংকটের কারণে অ্যাপলকে শেষ পর্যন্ত পণ্যের দাম বাড়ানোর মতো
কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
প্রযুক্তি বিশ্বে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয়জয়কার। কিন্তু এই বিপ্লবই এবার সাধারণ ক্রেতাদের পকেটে বাড়তি চাপ ফেলতে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে অ্যাপলের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানও পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। খোদ অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক জানিয়েছেন, আইফোনসহ অন্যান্য অ্যাপল পণ্যের দাম বৃদ্ধি এখন অনিবার্য।
সম্প্রতি
সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টিম কুক বর্তমান
পরিস্থিতিকে অভাবনীয় এক সংকট হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপুল চাহিদার কারণে
মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের দাম অবিশ্বাস্য হারে বেড়ে গেছে। অ্যাপল এতদিন এই বাড়তি
খরচের ধাক্কা নিজেরাই সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই অটেকসই হয়ে পড়েছে।
প্রযুক্তি
বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৮ সিরিজের ঘোষণায় এই বাড়তি
দামের প্রভাব সরাসরি ক্রেতাদের ওপর পড়তে পারে। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান টেকইনসাইটস ধারণা
করছে, আসন্ন আইফোন
১৮ প্রো মডেলের দাম আগের চেয়ে প্রায় ২০০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এর মূল কারণ
হলো যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধি। নতুন আইফোনে শুধু মেমোরি চিপের খরচ ৩৯ ডলার থেকে
বেড়ে ১৪৫ ডলার এবং স্টোরেজ চিপের খরচ ১৩ ডলার থেকে বেড়ে ৫১ ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে
ধারণা করা হচ্ছে।
অ্যাপল
সম্প্রতি তাদের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ফিচার ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ এবং ‘সিরি
এআই’ উন্মোচন করেছে। ডিভাইসে এই অত্যাধুনিক ফিচারগুলো মসৃণভাবে চালানোর জন্য আরও
বেশি মেমোরির প্রয়োজন। একদিকে নতুন ফিচারের জন্য বেশি মেমোরির চাহিদা, অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী সেই মেমোরি চিপেরই
হাহাকার। এই দ্বিমুখী সংকটের কারণে অ্যাপলকে শেষ পর্যন্ত পণ্যের দাম বাড়ানোর মতো
কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন